নয়াদিল্লি: ভারতের আম বিশ্বজনীন! রবিবার ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদি। বলেন, ‘স্থান বদলায়, আর তার সঙ্গে বদলে যায় আমের রূপ, রং ও স্বাদ। গ্রামের বাগান থেকে শুরু হওয়া আমের এই যাত্রা আজ বিশ্ববাজারে পৌঁছে গিয়েছে।’ কিন্তু বাস্তব অন্য কথা বলছে। দীর্ঘ ২০ বছর পর ভারতের আম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল জাপান সরকার। হঠাৎ এই সিদ্ধান্তর পিছনে রয়েছে, ভারতে আমচাষের ক্ষেত্রে সঠিক পদ্ধতি ব্যবহার না করার ইস্যু। আলফানসো, কেশর, ল্যাংড়া এবং বঙ্গনপল্লির মতো প্রথম সারির ভারতীয় আম জাপানে রপ্তানি করা হতো। তবে এবার তারা জানিয়েছে, রপ্তানির ক্ষেত্রে যে পদ্ধতি অবলম্বন করা উচিত তা করা হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে জাপানবাসীর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয় মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তারা এও জানিয়েছে, রপ্তানি করার সময় ফলের পোকা নিয়ন্ত্রণের জন্য ভারতে যে রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, তা গ্রহণযোগ্য নয়। ভারত থেকে জাপানের উদ্দেশে আম পাড়ি দেওয়ার আগে পরীক্ষানিরীক্ষার জন্য প্রতিনিধি পাঠিয়েছিল জাপান। ‘ভেপার হিট ট্রিটমেন্ট’ (ভিএইচটি)-এর মাধ্যমে যেভাবে আমগুলিকে সংক্রমণ মুক্ত করা হচ্ছে, তাতে ঘাটতি রয়েছে বলে জানিয়ে দেয় ওই জাপানি প্রতিনিধি দল। তারপরই আমদানির ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। জানা যাচ্ছে, চলতি বছরের মার্চ মাসে উত্তরপ্রদেশের রেহমানপুরে ভিএইচটি পরীক্ষা করা হয়। তবে তার রিপোর্ট নিয়ে ভারত বা জাপান প্রশাসনের তরফে কিছুই জানানো হয়নি। যদিও তার ফলস্বরূপই আমদানি ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা বলে জানা গিয়েছে।



