সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: বাংলাদেশের জেলে থাকাকালীন মৃত্যু হল ভারতীয় এক মৎস্যজীবীর। মৃতের নাম বাবুল দাস (২৫)। বাড়ি কাকদ্বীপের হারউড পয়েন্ট কোস্টাল থানার পশ্চিম গঙ্গাধরপুর এলাকায়। ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বাবুলের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বিকেল নাগাদ বাংলাদেশের হাই-কমিশনার মোবাইলে মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁর মৃতদেহ ভারতে পাঠানোর বিষয়েও আশ্বস্ত করেছেন। তবে বাবুলের পরিবারের দাবি, পরিকল্পনা করে তাঁকে খুন করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ১৪ জুলাই বাংলাদেশের উপকূল রক্ষীবাহিনী এফবি ঝড় ও এফবি মঙ্গলচণ্ডী নামক দুই ভারতীয় ট্রলারকে আটক করেছিল। অভিযোগ, ওই দু’টি ট্রলার আন্তর্জাতিক জল সীমানা অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছিল। ট্রলার দুটিতে মোট ৩৪ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। তাঁরা বর্তমানে বাংলাদেশের জেলে। সেখানেই এফবি মঙ্গলচণ্ডী ট্রলারের মৎস্যজীবী বাবুলের মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে নিহতের বাবা নির্মল দাস বলেন, বাবুল মূক ও বধির ছিল। দীর্ঘ প্রায় নয় বছর ধরে ট্রলারে করে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়। তাঁর বয়সও খুব কম। বাংলাদেশ থেকে তাঁর অসুস্থতার কোনও খবরও আসেনি। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বাবুলের মৃত্যু হতে পারে না। তাঁকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ভারত সরকারের তদন্ত করা উচিত। আর সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র বলেন, বাংলাদেশের দূতাবাস থেকে বাবুলের মৃত্যুর খবর এসেছে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তবে তাঁর দেহের ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। এর রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ফাইল চিত্র