Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

আজ বাংলাদেশকে হারালেই ফাইনালে ভারত

এশিয়া কাপে অশ্বমেধের ঘোড়ার মতো ছুটছে টিম ইন্ডিয়া। গ্রুপ পর্বে তিনটি ও সুপার ফোরে একটি ম্যাচ— চারটিতেই এসেছে সহজ জয়। স্বাভাবিক ভাবেই ক্রিকেটারদের মনোবল তুঙ্গে।

আজ বাংলাদেশকে হারালেই ফাইনালে ভারত
  • ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৮:০৯
Prefer us on Google

দুবাই: এশিয়া কাপে অশ্বমেধের ঘোড়ার মতো ছুটছে টিম ইন্ডিয়া। গ্রুপ পর্বে তিনটি ও সুপার ফোরে একটি ম্যাচ— চারটিতেই এসেছে সহজ জয়। স্বাভাবিক ভাবেই ক্রিকেটারদের মনোবল তুঙ্গে। সুপার ফোরে আর একটা ম্যাচ জিতলেই ফাইনালের টিকিট পাকা। সেই লক্ষ্যেই বুধবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নামছেন সূর্যকুমাররা।

Advertisement

আগামী বছর ভারত ও শ্রীলঙ্কায় হবে টি-২০ বিশ্বকাপ। সেটাকেই পাখির চোখ করেছেন কোচ গৌতম গম্ভীর। তাই ‘কোর টিম’ গড়ে তোলার উপর বাড়তি জোর দিচ্ছেন তিনি। শুভমান গিলকে টি-২০ স্কোয়াডে ফিরিয়ে এনে ব্যাটিং আরও শক্তিশালী করতে চেয়েছেন কোচ। গিল অবশ্য গ্রুপ পর্বে একটু গুটিয়ে ছিলেন। তবে গত ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে স্বমহিমায় ধরা দেন ‘পাঞ্জাব কা পুত্তর’। সবাইকে ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে যদিও অভিষেক শর্মা। ওপেনার হিসেবে তাঁর বিধ্বংসী ব্যাটিং বিপক্ষ বোলারদের ঘুম উড়িয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। তিন নম্বরে নামছেন সূর্য। গত ম্যাচে রান পাননি ক্যাপ্টেন। চার ও পাঁচে তিলক ও সঞ্জু। শুরুটা খারাপ হলে হাল ধরতে হবে তাঁদেরই। এমনিতে ভারতের ব্যাটিং গভীরতা বেশ ভালো। হার্দিক পান্ডিয়া, শিবম দুবের সঙ্গে আর এক অলরাউন্ডার অক্ষর প্যাটেলও দলকে ভরসা দিতে সক্ষম। লম্বা ব্যাটিং হওয়ায় উপরের দিকের ব্যাটাররা ঝুঁকিপূর্ণ শট খেলার সাহস দেখাতে পারবেন।  তবে প্রদীপের নীচে থাকে অন্ধকার। সেগুলো অনেক সময় চোখে পড়ে না। ভারতের ধারাবাহিক জয়ে বোলিংয়ের বহু দুর্বলতা ঢাকা পড়েছে। বিশেষ করে বুমরাহ গত ম্যাচে হতাশ করেছিলেন। কুলদীপও ছিলেন বড়ই সাদামাটা। দুই তারকা বোলারের কামব্যাক জরুরি। তার জন্য বাংলাদেশ ম্যাচ সেরা মঞ্চ হতে পারে।
পরিসংখ্যান বলছে, টি-২০ ম্যাচে দুই দল মুখোমুখি হয়েছে ১৭ বার। তার মধ্যে ভারত জিতেছে ১৬ বার। মাত্র একবার জয়ী বাংলাদেশ। এই হিসেবেই পাল্লা ভারি সূর্যদের। তবে বাংলাদেশের এমন কিছু ক্রিকেটার রয়েছেন, যাঁরা চমকে দিতে পারেন। ক্যাপ্টেন লিটন দাস চোটমুক্ত হয়ে খেললে তাঁকে শুরুতেই ফেরানোর টার্গেট করতে হবে। ওপেনার সাইফ হাসান শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে করেছিলেন ৬১ রান। তৌহিদ হৃদয়, তানজিদ হাসানরা দ্রুত রান তোলার জন্য পরিচিত। বাংলাদেশের বোলিংয়ে যথেষ্ট ভারসাম্য রয়েছে। কাটার স্পেশালিস্ট মুস্তাফিজুরকে সাবধানে খেলা জরুরি। স্পিনার মেহেদি হাসান দুবাইয়ে পিচে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেন।
 ম্যাচ শুরু রাত ৮টায়। সরাসরি সম্প্রচার সোনি স্পোর্টসে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ