নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: জুলাই মাসের তুলনায় আগস্টে রাশিয়া থেকে ভারত কম তেল কিনেছিল। আবার আগস্ট মাসের তুলনায় সেপ্টেম্বর মাসে তেল কেনা কমানো হয়েছে ১৪ শতাংশ। অক্টোবরেও এই প্রবণতা চলছে। অর্থাৎ রাশিয়া থেকে কম তেল কিনছে ভারত। এই প্রেক্ষাপটে দু’দিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ভারত যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেই অনুযায়ী কাজ করছে। অর্থাৎ রাশিয়া থেকে তেল কম ক্রয় করছে। আশা করব, রাশিয়া থেকে তেল ক্রয় আরও কমবে। সরকারি তেল সংস্থা তো বটেই রিলায়েন্সের মতো বেসরকারি তেল সংস্থাও রাশিয়া থেকে তেল আমদানির পরিমাণ কমিয়ে দিচ্ছে। এই প্রবণতার কারণ ভারতের মধ্যপন্থা। ভারতের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্য চুক্তি প্রায় চুড়ান্ত পর্যায়ে। ভারতের পণ্য আমেরিকায় রপ্তানি করা হলেই ৫০ শতাংশ আমদানি শুল্ক চাপিয়েছেন ট্রাম্প। এই ব্যবস্থা যদি দীর্ঘদিন ধরে চলে, তাহলে ভারতের রপ্তানি বাণিজ্য বড়সড় ধাক্কা খাবে। তাই নভেম্বর মাসের মধ্যেই ভারত চাইছে যে কোনওভাবেই হোক মার্কিন ও ভারত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হোক। সরকারি সূত্রের আশা, নভেম্বর মাসের মধ্যেই স্বাক্ষরিত হবে ভারত ও আমেরিকার চুক্তি। এমনকি ওই চুক্তি হয়ে যাওয়ার পর ডিসেম্বর মাসে ভারতে ডোনাল্ড ট্রাম্পও আসতে পারেন। তবে এই সম্ভাছবনার মধ্যেই বৃদ্ধি পাচ্ছে একটি বিশেষ আশঙ্কা। সরকারি সূত্রে সেই শঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেটি হল, রাশিয়া থেকে ভারত তেল ক্রয় যতই কমাবে, ততই ভারতের অভ্যন্তরে তেলের দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা বাড়ছে। কারণ রাশিয়ার অশোধিত তেল এখনও বিশ্বের অন্য তেল উৎপাদনকারী দেশগুলির তুলনায় সস্তা। তাই বেশি দামে আমেরিকা, পশ্চিম এশিয়া থেকে তেল কিনতে হলে ভারতের বাজারে পেট্রোপণ্যের দাম বেড়ে যাবে। -পিটিআই



