Bartaman Logo
২৫ জুলাই, ২০২৬

‘মহাকাশ থেকে ভারতকে দুর্দান্ত দেখাচ্ছে’, প্রধানমন্ত্রীকে শুভাংশু

প্রধানমন্ত্রী শুভাংশুর স্বাস্থ্য ও মহাকাশের অভিজ্ঞতা সম্পর্কেও জানতে চান।

‘মহাকাশ থেকে ভারতকে দুর্দান্ত দেখাচ্ছে’, প্রধানমন্ত্রীকে শুভাংশু
  • ২৯ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ‘মহাকাশ থেকে ভারতকে দুর্দান্ত দেখাচ্ছে। মানচিত্রে যা দেখি তার থেকে অনেক বড়, আরও বিশাল।’ আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে এমনটাই জানালেন ভারতীয় নভশ্চর শুভাংশু শুক্লা। বৃহস্পতিবার ইতিহাস গড়েছেন ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন। প্রথম ভারতীয় হিসেবে মহাকাশ স্টেশনে পা রেখেছেন তিনি। তারপর শনিবার শুভাংশুর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।  আর সেই কথাবার্তার ফাঁকেই মহাকাশ স্টেশনে শোনা গেল ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনি।  শুভাংশুকে শুভেচ্ছা  ও অভিযানের সাফল্য কামনা করে মোদি বলেন, ‘আপনার যাত্রা ভারতের গগনযান প্রকল্পের প্রথম পদক্ষেপ’। প্রধানমন্ত্রী শুভাংশুর স্বাস্থ্য ও মহাকাশের অভিজ্ঞতা সম্পর্কেও জানতে চান। 

Advertisement

কথাবার্তার মাঝেই শুভাংশু বলেন, ‘এখান থেকে পৃথিবীকে  দেখলে মনে হয়, কোনও সীমানা নেই, কোনও রেখা নেই। গোটা বিশ্বই আমাদের ঘর। আমরা সকলে এরই বাসিন্দা।এই একাত্মবোধ কাজ করে এখানে।’  শুভাংশুকে মোদি বলেন, ‘আজ আপনি মাতৃভূমি থেকে দূরে। কিন্তু ভারতীয়দের হৃদয়জুড়ে রয়েছেন আপনি। আপনার নামের মধ্যে শুভ আছে। আপনার এই যাত্রা একটি নতুন যুগের শুভারম্ভ।’  জবাবে শুভাংশু নিজের অভিযানকে একেবারে ‘নতুন অভিজ্ঞতা’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘মহাকাশে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি খুবই খুশি।’ 
প্রধানমন্ত্রীকে শুভাংশু বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগেই স্পেস স্টেশনের জানালা দিয়ে হাওয়াইকে দেখছিলাম। দিনে ১৬বার সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত প্রত্যক্ষ করি। মাধ্যাকর্ষণ শক্তি না থাকায় এখানে ঘুমনো অত্যন্ত কঠিন। পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সময় লাগে।’ তিনি আরও বলেন, ‘পৃথিবী থেকে কক্ষপথে এই ৪০০ কিলোমিটার যাত্রা শুধু আমার নয়, সারা দেশের।’ তিনি আরও বলেন, আমার যাত্রা সামগ্রিকভাবে আমাদের দেশের কৃতিত্ব। তরুণ প্রজন্মকে 
বার্তা দিতে চাই-আকাশ কখনওই সীমা নয়। 
অ্যাক্সিয়ম-৪ অভিযানে শুভাংশুর সঙ্গে মহাকাশ স্টেশনে গিয়েছেন  পেগি হুইটসন, স্লাওস উজনানস্কি ও টিবর কাপু। স্পেস স্টেশনে প্রবেশের আগে ‘গ্রেস’ থেকে একাধিকবার পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন শুভাংশুরা। সেখানেই ভারতীয় নভশ্চর জানিয়েছিলেন, ‘শরীর খুব একটা ভালো লাগছিল না।  মহাশূন্যে পৌঁছনোর পরেই ঘুম পাচ্ছিল।’ কেন এই অনুভূতি। নাসার বিশেষজ্ঞদের দাবি, মহাকাশযাত্রায় এই শারীরিক সমস্যাগুলি খুবই সাধারণ। ৫০ বছর ধরে মহাকাশ যাত্রা নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে নাসার হিউম্যান রিসার্চ প্রোগ্রাম। জানা গিয়েছে, মহাকাশ যাত্রায় মানব শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। সবটাই মূলত মাধ্যাকর্ষণ শক্তির হেরফেরের ফল। ছবি: পিটিআই

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ