রূপাঞ্জনা দত্ত, লন্ডন: মিডিয়া ও বিনোদন জগতের বহুমুখী পরিসরকে তুলে ধরতে লন্ডনে আয়েজিত হল বিশেষ ভারত পর্ব। ফোকাস লন্ডন কনফারেন্সে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিল ভারতীয় হাই কমিশন। সহযোগিতায় ছিল ওয়েভস বাজার। লক্ষ্য ছিল, সৃজনশীল ক্ষেত্রে ভারত-ব্রিটেনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নয়া অধ্যায়কে তুলে ধরা। এদিন নাচে-গানে জমজমাট হয়ে উঠেছিল ভারত পর্ব। অংশগ্রহণ করেছিলেন ওয়ার্ল্ড অডিয়ো ভিজুয়াল অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট সামিট (ওয়েভস)—এর ক্রিয়েট ইন ইন্ডিয়া চ্যালেঞ্জের বিজয়ীরা।
এই অনুষ্ঠান নিয়ে একঝাঁক পোস্ট করে ভারতীয় হাইকমিশনও। সেখানে ফোকাস ২০২৫—এ ওয়েভস বাজার ও দ্য ইন্ডিয়া সিনে ক্লাবের উপস্থিতির কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা জানিয়েছে, পর্দায় গল্প বলার ভবিষ্যৎ সংক্রান্ত আলোচনায় নয়া মাত্রা যোগ করেছিল এই দুই সংস্থা। তারা ভারতীয় সৃজনশীলতা দিয়ে লন্ডনকে আলোকিত করেছে। বিভিন্ন প্যাভিলিয়ন ঘুরে দেখেন ডেপুটি হাইকমিশনার কার্তিক পান্ডে। জানা গিয়েছে, এবছরের শুরুতে মুম্বইতে একটি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন ব্রিটেনের কালচারাল সেক্রেটারি লিসা নন্দী। সেবারই এধরনের যৌথ উদ্যোগ নতুন মাত্রা পায়।
বিশেষ ভারত পর্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ব্রিটেনে কর্মরত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী। তিনি জানিয়েছেন, যোগসূত্র তৈরির সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হল সংস্কৃতিই। ভারত-ব্রিটেন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল ভিতকে আরও শক্তিশালী করতে এই অনুষ্ঠান অন্যতম ভূমিকা পালন করেছে। দোরাইস্বামী বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন যে, যখন দু’দেশ ঐতিহাসিকভাবেই শিক্ষা, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে যুক্ত, তখন স্বাভাবিকভাবেই এধরনের সংযোগ তৈরি হয়ে যায়। তিনি মেনে নিয়েছেন, শারীরিক ও আর্থিক প্রতিবন্ধকতা অনেকসময় প্রতিভার প্রতিবন্ধকতা হয়ে ওঠে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দু’দেশে প্রতিভার উন্নয়ন, সৃজনশীল ক্ষেত্রতে নতুনভাবে উপস্থাপন, কর্মসংস্থান তৈরিতে ব্রিটেনকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আর্জি জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, ন্যাশনাল ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (এলএফডিসি)-র পরামর্শদাতা শ্রুতি রাজকুমার ওয়েভস ও দ্য ইন্ডিয়া সিনে হাবের গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন।