Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

সীমান্ত সংঘাত, যুদ্ধে পাকিস্তানকে সমর্থনের ইস্যু অতীত! চীনের সঙ্গে বন্ধুত্ব অটুট, বার্তা জয়শঙ্করের

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ক্রমেই উন্নতি হয়েছে। এই সুসম্পর্ক আরও বৃদ্ধি পাক—এমনটাই চায় ভারত সরকার! তিনদিনের চীন ও সিঙ্গাপুর সফরের শুরুতেই বার্তা বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের।

সীমান্ত সংঘাত, যুদ্ধে পাকিস্তানকে সমর্থনের ইস্যু অতীত! চীনের সঙ্গে বন্ধুত্ব অটুট, বার্তা জয়শঙ্করের
  • ১৫ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ক্রমেই উন্নতি হয়েছে। এই সুসম্পর্ক আরও বৃদ্ধি পাক—এমনটাই চায় ভারত সরকার! তিনদিনের চীন ও সিঙ্গাপুর সফরের শুরুতেই বার্তা বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের। সোমবার চীনের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করে জানিয়ে দিলেন, ভারত ও চীনের মৈত্রী অবিচ্ছেদ্য। ৭৫ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে সেই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার করেছেন তিনি। ২০২০ সালের লাদাখ সংঘাতের পর এই প্রথম চীন সফরে ভারতের বিদেশমন্ত্রী। এর মধ্যে বেজিংয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে আরও। সে সীমান্তে বারংবার লালফৌজের অনুপ্রবেশ হোক কিংবা সাম্প্রতিককালে অপারেশন সিন্দুর পরবর্তী যুদ্ধে সরাসরি পাকিস্তানকে সহায়তা করা। কিন্তু সফর শুরুর দিনে সেই তিক্ততা ও শৈত্যের কোনও আভাসই দিতে চাননি জয়শঙ্কর। তবে কি লাদাখ সংঘাত, ভারতীয় সেনার গতিবিধি আগাম জানিয়ে পাকিস্তানকে সামরিক সাহায্য ইত্যাদি সব কিছুকে দূরে সরিয়ে রেখে চীনের সঙ্গে শুধুই ইতিবাচক বন্ধনই চাইছে ভারত?

Advertisement

পাঁচ বছর পর জয়শঙ্করের এই চীন সফরের কারণ সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের বিদেশমন্ত্রী স্তরের সম্মেলন। এবার সম্মেলনের সভাপতির চেয়ারে বেজিং। তাদের সভাপতিত্বকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝাংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর নিজেই বলেছেন, ‘ওঁকে জানিয়ে দিয়েছি যে, ভারত ও চীনের দীর্ঘকালীন সম্পর্কে আরও শক্তিশালী পর্ব আসন্ন। ওই সম্প্রীতিযাত্রাকে আরও ইতিবাচক পথে নিয়ে যেতে চায় দু’দেশই।’ এতে স্পষ্ট যে এরপর দু’দেশের বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে বেশ কিছু বিস্ময়কর যৌথ বিবৃতি অপেক্ষা করছে।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, চীন ও ভারতের এই কাছাকাছি আসার প্রয়াস ও ইঙ্গিতের অনুঘটক কি ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি এবং একচ্ছত্র বাণিজ্য আগ্রাসন? রাশিয়া ২২ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্যচুক্তি করেছে পাকিস্তানের সঙ্গে। ভারত পাঁচ বছর পর চীনে সফর করছে। সেই সফরে জয়শঙ্কর বলেছেন, চীন ও ভারতের দুই রাষ্ট্রনেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রেসিডেন্ট জি জিনপিং গত অক্টোবর মাসে রাশিয়ার কাজানে যে  বৈঠক করেছেন, তারপর থেকে দুই দেশের সম্পর্কে আরও উষ্ণতা এসেছে। এভাবে সমস্ত সীমান্ত সংঘাত এবং দলা‌ই লামাকে কেন্দ্রিক টেনশন ভুলে যাওয়া কি এশিয়ার নতুন শক্তিঅক্ষ তৈরির ইঙ্গিত? সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না আন্তর্জাতিক মহলেও। বিদেশমন্ত্রীর সফরের পরবর্তী পর্ব কি চীন অথবা ভারতে আবার জিনপিং-মোদির সাক্ষাৎ? জল্পনা জোরদার। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ