ঢাকা, ৪ আগস্ট: গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়েছিল দু’বছর আগে। এই ঘটনার দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অফ সাউথ এশিয়া একটি আলোচনা সভার আয়োজন করেছে আগামীকাল, ৫ আগস্ট। আর এখানে ভার্চুয়ালি ভাষণ দেওয়ার কথা বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। সঙ্গে থাকার কথা তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়েরও।
এবার শেখ হাসিনার এই ভাষণ নিয়ে দিল্লিকে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে বলল বাংলাদেশ। তারা জানায়, একজন পলাতক ব্যক্তিকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ দেওয়া হলে তা দু দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষতি করতে পারে। বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে একটি দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা চাই না এক্ষেত্রে কোনো সমস্যা তৈরি হোক। এই বিষয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের জেরে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা। তারপর থেকে তিনি ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন। আর হাসিনাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরত নিয়ে যাওয়ার জন্য নিজেদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ঢাকা।
মঙ্গলবার এর অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানিয়েছেন ভিডিও লিঙ্ক এর মাধ্যমে তাদের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন শেখ হাসিনা। প্রসঙ্গত হাসিনা সরকারের অপসারণের পর ভারত বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। তবে তারিখ রেহমানের সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের অনেকটাই উন্নতি হয়। এবার হাসিনার এই ভাষণকে কেন্দ্র করে ফের দুই দেশের সম্পর্কে টানাপড়েন শুরু হয় কিনা সেটাই দেখার।