Bartaman Logo
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কাল ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক, আজ রাতে দিল্লিতে মমতা

একদিকে মোদি বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বৈঠক। অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আরও একবার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সাংগঠনিক বৈঠকের সম্ভাবনা।

কাল ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক, আজ রাতে দিল্লিতে মমতা
  • ৭ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: একদিকে মোদি বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বৈঠক। অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আরও একবার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সাংগঠনিক বৈঠকের সম্ভাবনা। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, দিল্লিতে দু’টো ‘কর্মসূচি’ই একই দিনে। কাল, সোমবার। এমনিতেই রাজ্য রাজনীতিতে এখন নিত্যদিন ঘটনার ঘনঘটা চলছে। তার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুই রাজ্যের প্রাক্তন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই তাদের পরিষদীয় দল ভেঙে গিয়েছে। এবার নজর রয়েছে তৃণমূলের সংসদীয় দলের দিকে। সেখানেও রীতিমতো টালমাটাল পরিস্থিতি। এমন পরিস্থিতিতে শনিবারই দিল্লিতে এসেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ, রবিবার সন্ধ্যায় দিল্লি আসছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে থাকছেন তৃণমূলের দু’জন সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা যাচ্ছে, আজ, রবিবারই দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে বৈঠক করবেন মমতা। সোমবার সকাল ১১টায় দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে মোদি বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ ব্লকের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। আর এমন প্রেক্ষাপটেই রাজ্যের বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লি আসাকে ইঙ্গিতপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে শুভেন্দুবাবুর দিল্লিতে আসার মূল কারণ অন্য। প্রধানত একটি সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দিতেই দিল্লি আসছেন তিনি। সোমবার বিজ্ঞান ভবনে আয়ুষ্মান ভারত সংক্রান্ত কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। যদিও বিজেপি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, তার আগে পরে কিছু সাংগঠনিক ‘কর্মসূচি’ও রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। 

Advertisement

বিজেপির একটি সূত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, রবিবার রাতেই দিল্লি আসছেন শুভেন্দুবাবু। তৃণমূল প্রশ্নে বিজেপি আপাতত জল মাপার পথেই হাঁটছে। 
শনিবার এসংক্রান্ত বিষয়ে দিল্লিতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘দিগভ্রান্ত কিছু মানুষ যদি এদিক ওদিক ঘোরাঘুরি করেন, ফোন করেন, তাহলে ফোন ধরাটাও একটা ভদ্রতা। কেউ বাড়িতে এলে তাঁকে বসিয়ে চা খাওয়ানোও উচিত। সেটা যদি আমাদের কেউ করে থাকেন, তাহলে করেছেন। এর অর্থ এটা নয়, তাঁদের বিজেপিতে প্রবেশের পথ প্রশস্ত। সেই দরজা বন্ধই।’ শমীকবাবুর এহেন মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আবারও তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ