নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নানা ক্ষেত্রে কর ফাঁকি ঠেকাতে একাধিক পদক্ষেপ করছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। এই অবস্থায় শনিবার টাউন হলে ওয়েস্ট বেঙ্গল রেভিনিউ অফিসারদের এক অনুষ্ঠানে কর ফাঁকি ঠেকিয়ে রাজস্ব বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আধিকারিকদের ভূমিকা ও গুরুত্ব তুলে ধরেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। পূর্বতন সরকারের আমলে কর ফাঁকির একাধিক উদাহরণ তুলে ধরার পাশাপাশি তাঁদের সরকার এসে কীভাবে তা ঠেকানোর চেষ্টা করছে, বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন তিনি। সেই সঙ্গে দ্রুত সরকারি পরিষেবা নিশ্চিত করা ছাড়াও যেসব ক্ষেত্রে কর আদায় ন্যূনতম, সেখানে জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি। কলকাতা এবং বিধাননগর পুরসভা ছাড়া বাকি পুরসভাগুলিতে সেই অর্থে কর আদায়ই হয় না বলেও তিনি জানিয়েছেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত। তিনি রাজস্ব সংক্রান্ত আইনি সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজ্যের রেভিনিউ অফিসারদের প্রতিটি পরামর্শ এবং কাজ করতে গিয়ে তাঁদের অভিজ্ঞতার কথাও শোনেন তিনি। রাজ্যের ভাবনাচিন্তাও আধিকারিকদের সঙ্গে ভাগ করে নেন সুব্রতবাবু।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী তথা সিউড়ির বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। পালাবদলের পরপরই বীরভূম জেলায় পাথর, বালি বাবদ কর ফাঁকি আটকে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে নজির সৃষ্টির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। এদিন তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্রের নিজস্ব আয়ের উদাহরণ তুলে পশ্চিমবঙ্গেও তা সুনিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি। আধিকারিকদের তরফে জমির বাজারদর প্রতি বছর সংস্কার, গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধিসহ কর আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং জেলায় জেলায় রাজ্যের প্রতিটি কর আদায়কারী সংস্থাকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসার প্রস্তাব দেওয়া হয়। নিজস্ব চিত্র