নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বাড়তি নজরদারি শুরু হয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলাজুড়ে। ৫০টির বেশি জায়গায় নাকা তল্লাশি শুরু করেছে পুলিস। হোটেল ও গেস্টহাউসগুলিতে চলছে তল্লাশি। স্বাধীনতা দিবসের দিনে প্রতিটি জেলায় হাই অ্যালার্ট জারি থাকে। কেউ যাতে কোনও নাশকতার পরিকল্পনা না করতে পারে, সেজন্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নজরদারি শুরু হয়। মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিসের তরফ থেকে বাড়তি তৎপরতা নেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুর থেকেই ২৩টি থানার বিভিন্ন রাস্তায় নাকা তল্লাশি শুরু করেছে পুলিস। থানার অফিসাররা ছাড়াও এই নাকা তল্লাশিতে অংশ নিয়েছেন ডিএসপি পদমর্যাদার পুলিস আধিকারিকরাও। জেলাজুড়ে ঐতিহাসিক স্থানগুলিতেও বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাজারদুয়ারি, কাটরা মসজিদ, কাঠগোলা বাগানবাড়ি, নসিপুর রাজবাড়ি সহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থানে নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষী ছাড়াও স্থানীয় থানার পুলিস টহল দিচ্ছে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে অনেক পর্যটকের সমাগম হয়েছে নবাবি মুলুকে। তাঁদের নিরাপত্তার দিকটিও খেয়াল রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিসের আধিকারিকরা। উর্দিধারীদের পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় সাদা পোশাকের পুলিসও মোতায়ন করা হয়েছে। জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, অন্যান্য দিন প্রতিটি থানা এলাকায় যে নাকা তল্লাশি চলে, এদিন তার পরিমাণ অনেক বাড়ানো হয়েছে। শহরের বিভিন্ন হোটেল এবং লজে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। মুর্শিদাবাদে বিশেষ করে লালবাগ মহকুমায় প্রচুর ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে। সেখানেও আমরা নজরদারি চালাচ্ছি। পাশাপাশি সাদা পোশাকেও পুলিস বিভিন্ন জায়গায় নজরদারি চালাচ্ছে। এদিন বহরমপুর কোর্ট, খাগড়াঘাট রোড, মুর্শিদাবাদ ও আজিমগঞ্জ জংশন রেলস্টেশনে রেলপুলিসের তৎপরতা ছিল দেখার মতো। রেলযাত্রী সুশান্ত দাস বলেন, প্রতি সপ্তাহে তিন-চারদিন করে বহরমপুর কোর্ট স্টেশন থেকে ট্রেন ধরি। তবে এদিন পুলিসের বাড়তি নজরদারি ছিল। প্ল্যাটফর্মের প্রতিটি জায়গায় সশস্ত্র রেলপুলিস আধিকারিকরা নজরদারি চালিয়েছেন।



