Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রঘুনাথপুরে ৩টি মডেল অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের ভবনের উদ্বোধন, খুশি কর্মীরা

রঘুনাথপুরে ৩টি মডেল অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের ভবনের উদ্বোধন, খুশি কর্মীরা
  • ৫ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: শুক্রবার প্রশাসনের তরফ থেকে নবনির্মিত তিনটি মডেল অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের ভবনের চাবি কর্মীদের হাতে তুলে দেওয়া হল। দীর্ঘদিন অসুবিধার পর অবশেষে ওই তিনটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের নতুন ভবন তৈরি হওয়ায় খুশি কর্মীরা। অন্যদিকে] রঘুনাথপুর-২ ব্লক প্রশাসনের তরফ থেকে একটি শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের অতিরিক্ত শ্রেণি কক্ষের চাবিও এদিন তুলে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

ওই তিনটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের নিজস্ব কোনও ভবন ছিল না। তাদের কোনও ক্লাবঘরে, গাছতলায় ত্রিপল টাঙিয়ে কিংবা গ্রামের কোনও বাসিন্দার চালায় রান্না করতে হতো। ভবন না থাকায় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে আসা শিশুদের পড়াতেও সমস্যা হতো। শুধু তাই নয়, গর্ভবতী মহিলা, শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সহ বিভিন্ন কাজ করতে গিয়ে অসুবিধায় পড়তে হতো। সেই অসুবিধার কথা ভেবে রাজ্য সরকার তিনটি নতুন মডেল অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ভবন তৈরি করে। এদিন সেগুলি কর্মী ও সহায়িকাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, রঘুনাথপুর-২ ব্লকের জোরাডি গ্রাম পঞ্চায়েতের হদলা এবং চেলিয়ামা পঞ্চায়েতের ইছরের উপরডিতে দু’টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। মাইনোরিটি উন্নয়ন দপ্তরের টাকায় ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র গুলি তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি ভবন তৈরিতে প্রায় ১০লক্ষ ১৭ হাজার টাকা করে খরচ হয়েছে।
অন্যদিকে জোরাডি গ্রাম পঞ্চায়েতের উশিড়ে একটি শিশুশিক্ষা কেন্দ্রে একটি অতিরিক্ত শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করা হয়েছে। মাইনোরিটি উন্নয়ন দপ্তরের ১০ লক্ষ ৮৭ হাজার টাকায় ওই শ্রেণিকক্ষ তৈরি হয়েছে। ব্লক প্রশাসনের তত্ত্বাবধানেই  তিনটি  অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র তৈরির কাজ হয়েছে।
রঘুনাথপুর-২ ব্লকের জয়েন্ট বিডিও শুভদীপ বৈদ্য বলেন, অঙ্গনওয়াড়ি ও শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের ভবন না থাকার জন্য কর্মীদের খুবই অসুবিধায় পড়তে হতো। তিনটি নতুন ভবনের চাবি এদিন কেন্দ্রের কর্মীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিতুড়িয়া ব্লকের শালতোড় গ্রাম পঞ্চায়েতের শালনীগোড়ায় নতুন মডেল অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের ভবনে নির্মাণ করা হয়েছে। অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তরের ১২ লক্ষ টাকা দিয়ে মডেল অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের ভবন নির্মাণ হয়েছে।
একজন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী বুলু মাজি বলেন, কেন্দ্রের নিজস্ব ভবন না থাকায় ক্লাবঘরে রান্না করতে হতো। সেখানে খুবই অসুবিধা হতো। নিজস্ব ভবন তৈরি হওয়ায় ভালোই হয়েছে। এবার বাচ্চাদের পড়াশোনার পাশাপাশি রান্নার কাজে আর কোনও অসুবিধা থাকল না। 

সম্পর্কিত সংবাদ