নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: জেলার প্রত্যেক কাউন্সিলারকে একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের প্রচারের জন্য ন্যূনতম পাঁচটি দেওয়াল লিখতে হবে। দলের ব্লক ও টাউন সভাপতির ক্ষেত্রে সংখ্যাটি হবে ১০। ওইসঙ্গে কাউন্সিলারকে প্রতিদিনই ভোটার তালিকা হাতে কমপক্ষে পাঁচজনকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি বাড়ি যেতে হবে। কাউন্সিলার এবং ব্লক সভাপতির ভূমিকার উপর নজর রাখবে দল। তার উপর ভিত্তি করেই ভবিষ্যতে পুরভোটের টিকিট মিলবে। তৃণমূলের বারাকপুর-দমদম সাংগঠনিক জেলায় এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার থেকে শুরু হওয়া দলের রাজনৈতিক কর্মী সম্মেলনগুলিতে এসব জানানো হচ্ছে স্পষ্ট করেই। ইতিমধ্যেই পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রে রাজনৈতিক কর্মী সম্মেলন হয়ে গিয়েছে। আজ শুক্রবার হবে নোয়াপাড়া এবং বীজপুরে। প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মী সম্মেলনে আগামী দিনে দলের কর্মী-নেতারা প্রচারে কী কী তুলে ধরবেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে কী বলবেন তাঁরা, সেই গাইডলাইন দেওয়া হচ্ছে। এই কর্মী সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, বিধায়ক মদন মিত্র, নির্মল ঘোষ এবং দমদম-বারাকপুরের সাংগঠনিক জেলা সভাপতি পার্থ ভৌমিক। অপারেশন সিন্দুর, পহেলগাঁও জঙ্গি আক্রমণ সম্পর্কে কী বলতে হবে, প্রত্যেক বক্তার জন্যই তা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। দীঘায় জগন্নাথ মন্দির তৈরি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকাও প্রচারে তুলে ধরার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।



