Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তপনে ২০ বছর পর হাত প্রতীকে ময়দানে কংগ্রেস

তপন বিধানসভায় ২০ বছর পর নিজস্ব প্রতীকে ভোটের ময়দানে নামতে চলেছে কংগ্রেস। এতদিন বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট থাকায় এই কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী দেয়নি।

তপনে ২০ বছর পর হাত প্রতীকে ময়দানে কংগ্রেস
  • ২৪ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

মেহেবুব হোসেন সরকার, তপন: তপন বিধানসভায় ২০ বছর পর নিজস্ব প্রতীকে ভোটের ময়দানে নামতে চলেছে কংগ্রেস। এতদিন বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট থাকায় এই কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী দেয়নি। বরাবর বামেদের প্রার্থীই লড়েছেন। ফলে তপনে কংগ্রেসের সংগঠন থাকলেও সরাসরি নির্বাচনী লড়াইয়ে নামার সুযোগ পায়নি হাত শিবির।

Advertisement

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় একমাত্র কুমারগঞ্জ কেন্দ্রটি কংগ্রেসকে ছাড়া হয়েছিল। সেখানে কংগ্রেস প্রার্থী দিয়েছিল। তার আগে ২০১৬ সালে গঙ্গারামপুর বিধানসভা কেন্দ্র কংগ্রেসের দখলে ছিল জোট সমীকরণের ভিত্তিতে। তবে তপন বিধানসভায় দুই দশক ধরে কংগ্রেস নিজস্ব প্রতীকে লড়াই করার সুযোগ পায়নি। এবারে বামেদের সঙ্গে জোট না হওয়ায় সেই সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে নেতৃত্ব।
যদিও এখনও পর্যন্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়নি। তবুও সংগঠনের ভিতরে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। ব্লক স্তর থেকে বুথ স্তর পর্যন্ত কর্মীদের সক্রিয় করা হচ্ছে। কংগ্রেস কর্মীদের দাবি, এবারের নির্বাচনে আগের তুলনায় ভোটের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে এবং তৃণমূল ও বিজেপির পাশাপাশি কংগ্রেসও শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলবে।
এপ্রসঙ্গে তপন ব্লক কংগ্রেস সভাপতি রাকেশ সরকার বলেন, ‹দীর্ঘদিন পর আমরা নিজেদের প্রতীক নিয়ে মানুষের কাছে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছি। তপনের মানুষ কংগ্রেসকে এখনও মনে রেখেছে এবং আমাদের প্রতি তাদের আস্থা রয়েছে। সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করে আমরা মানুষের সমস্যার কথা তুলে ধরব। এবারের নির্বাচনে কংগ্রেস ইতিবাচক ফল করবে বলেই আমরা আশাবাদী। অন্যদিকে কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের জেলা সভাপতি রতন কুমার সরকার বলেন, শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে কংগ্রেসের সমর্থন রয়েছে। এবারে আমরা সেই সমর্থনকে ভোটে রূপান্তরিত করতে পারব বলেই বিশ্বাস।
রাজনৈতিক মহলের মতে, তপন বিধানসভায় কংগ্রেসের এই প্রত্যাবর্তন ভোটের সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। যদিও মূল লড়াই তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে অনেকে মনে করছেন। তবুও কংগ্রেসের উপস্থিতি ভোটের ফলাফলে কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

সম্পর্কিত সংবাদ