Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বারুইপুরে স্বপ্নাদেশে মা ভবানী হন মা শিবানী, মন্দিরবাজারে ১৪ হাত লম্বা কালীকে ঘিরে মেলা বসছে গ্রামে

বারুইপুরের শিবানীপীঠে শিবানী মায়ের আগের নাম ছিল মা ভবানী। স্বপ্নাদেশে সেই নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় মা শিবানী। কালীপুজোর দিনে মন্দিরে দূর-দূরান্ত থেকে ভিড় জমান বহু মানুষ।

বারুইপুরে স্বপ্নাদেশে মা ভবানী হন মা শিবানী, মন্দিরবাজারে ১৪ হাত লম্বা কালীকে ঘিরে মেলা বসছে গ্রামে
  • ২০ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সত্যজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় , বারুইপুর:

Advertisement

বারুইপুরের শিবানীপীঠে শিবানী মায়ের আগের নাম ছিল মা ভবানী। স্বপ্নাদেশে সেই নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় মা শিবানী। কালীপুজোর দিনে মন্দিরে দূর-দূরান্ত থেকে ভিড় জমান বহু মানুষ। অন্যদিকে, মন্দিরবাজারের দয়ারামপুরে ইংরেজ আমলে তৈরি মন্দিরে ১৪ হাত লম্বা কালী এবারও আকর্ষণ। পুজো ঘিরে গ্রামে বসছে মেলা।
১৯৬৬ সালে বারুইপুরে শিবানীপীঠ মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরিবারের সদস্যা নিরুপমা দেবী তিনবার স্বপ্নাদেশ পেয়েছিলেন। বলা হয়েছিল, পঞ্চানন-তলার পুকুরে মায়ের ঘট আছে। পরবর্তীকালে সেই ঘটই স্থাপন করা হয়।  এরপর মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন পরিবারের সদস্য দুর্গাদাস ভট্টাচার্য। মন্দিরে মা দক্ষিণাকালী রূপে অধিষ্ঠাত্রী।মায়ের মূর্তি সম্পূর্ণ নিমকাঠের তৈরি। পরিবারের এক সদস্য বলেন, শিল্পী শ্রীমন্ত ভাস্কর মূর্তি তৈরি করেছিলেন। মন্দিরবাজারের দয়ারামপুর সুলতানপুর শ্যামা সংঘের পুজো এবার ৮১ বছরে পড়েছে। কালীমন্দিরেই এই পুজো হয়। আগে ১৬ হাত ছিল প্রতিমার উচ্চতা। পরবর্তীকালে সমস্যার জন্য উচ্চতা কমানো হয়। এই মন্দিরের পুজোকে ঘিরে গ্রামে উৎসবের চেহারা নেয়। পুজো কমিটির সদস্য সুধীর পুরকাইত বলেন, আমাদের মা খুব জাগ্রত। কালীপুজোর সময়ে প্রতিমাকে রং করে সাজিয়ে তোলা হয়। পরানো হয় সোনার গয়না। বাইরে থেকে প্রচুর মানুষ আসেন পুজো দিতে। তাঁদের খিচুড়ি ভোগ খাওয়ানো হয়।

সম্পর্কিত সংবাদ