Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

পাক সেনাপ্রধানকে তোপ ইমরান খানের

ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের প্রতিটি পদক্ষেপ পাকিস্তানের জন্য ধ্বংসাত্মক। ইচ্ছাকৃতভাবে আফগানিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনা তৈরি করছেন তিনি।

পাক সেনাপ্রধানকে তোপ ইমরান খানের
  • ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৫:১২
Prefer us on Google

লাহোর: ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের প্রতিটি পদক্ষেপ পাকিস্তানের জন্য ধ্বংসাত্মক। ইচ্ছাকৃতভাবে আফগানিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনা তৈরি করছেন তিনি। বুধবার এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন ইমরান খান। 

Advertisement

বর্তমানে আদিয়ালা জেলে বন্দি রয়েছেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী। শাহবাজ শরিফ সরকারের বিশেষ অনুমতির পর মঙ্গলবারই তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন বোন ডাঃ উজমা খান। তার পরদিনই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক পোস্ট করেছেন ক্রিকেট থেকে রাজনীতিতে পা রাখা ইমরান। তিনি লিখেছেন, আসিম মুনিরের ধ্বংসাত্মক নীতির কারণেই দেশে সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, মুনিরের কাছে পাকিস্তানের জাতীয় স্বার্থের কোনও গুরুত্বই নেই। পশ্চিমী শক্তিগুলিকে খুশি করতেই তিনি এসব করছেন। অন্যদিকে, বোন আলিমা খানের দাবি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে বসে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চেষ্টা করেছিলেন ইমরান খান। কিন্তু পাকিস্তানের চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ আসিম মুনির সবসময় পড়শি দেশের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। আসিমকে ‘মৌলবাদী মুসলিম’, ‘চরমপন্থী’ বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। আলিমার বক্তব্য, ইমরান অত্যন্ত উদারবাদী। যখনই তিনি ক্ষমতায় এসেছেন, সবসময় ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে চেয়েছেন। এর পরেই ইসলামাবাদ-কাবুল দ্বন্দ্ব নিয়ে সরব হয়েছেন ইমরান। এক্ষেত্রেও পাক সেনাপ্রধানকে কাঠগড়া তুলেছেন তিনি। ‘কাপ্তান’ জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেকে ‘মুজাহিদ’ হিসেবে তুলে ধরতেই মুনির ইচ্ছাকৃতভাবে আফগানিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনা তৈরি করেছেন। পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শালকে ‘মানসিকভাবে অসুস্থ মানুষ’ বলে কটাক্ষও করেছেন ইমরান। বলেছেন, মুনিরের নৈতিক অধঃপতনের কারণেই দেশের সংবিধান ও আইনের শাসন সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। মুনির প্রথমে আফগানদের হুমকি দিয়েছেন। তারপর পাকিস্তান থেকে শরণার্থীদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। নিজের লোকেদের উপরেই ড্রোন হামলা চালিয়েছেন। এখন তার ফল ভুগতে হচ্ছে। দেশের সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে। ইমরান আরও বলেন, মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে জেলবন্দি করে রাখার পাশাপাশি মানসিক অত্যাচারও হয়েছে। চার সপ্তাহ কাউকে আশপাশে ঘেঁষতে দেওয়া হয়নি। বাইরের জগতের সঙ্গে কোনও যোগাযোগও ছিল না। জেলের নিয়ম অনুসারে ন্যূনতম পরিষেবাটুকুও মেলেনি। এই পরিস্থিতির জন্য মুনিরকে সরাসরি দায়ী করেছেন ইমরান।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ