Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নিম্নচাপ অক্ষরেখা ও পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাব, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে টানা ঝড়বৃষ্টি

পূর্বাভাস ছিলই। সেই মতো বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে দক্ষিণ ও  উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল রবিবারই। গত কয়েকদিনের তীব্র গরম কমে গিয়ে স্বস্তি ফিরেছে।

নিম্নচাপ অক্ষরেখা ও পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাব, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে টানা ঝড়বৃষ্টি
  • ৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:০৪
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পূর্বাভাস ছিলই। সেই মতো বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে দক্ষিণ ও  উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল রবিবারই। গত কয়েকদিনের তীব্র গরম কমে গিয়ে স্বস্তি ফিরেছে। আজ, সোমবার থেকে ঝড়বৃষ্টির মাত্রা বাড়বে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই পরিস্থিতি থাকবে। মঙ্গল ও বুধবার উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় তীব্র ঝড়বৃষ্টির আশঙ্কা থাকায় ‘কমলা সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলি ছাড়াও মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, হাওড়া , হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার জন্য রয়েছে ‘কমলা সতর্কতা’। উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও লাগোয়া এলাকার জন্যও একই পর্যায়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের ওই অংশে ভারী বৃষ্টির সতর্কতাও থাকছে। 

Advertisement

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে তেলেঙ্গানা পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এর ফলে বঙ্গোপসাগর থেকে বেশি মাত্রায় জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যের বায়ুমণ্ডলে। তার জন্যই শক্তিশালী বজ্রগর্ভ মেঘ সৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর-পশ্চিম ভারতে যে পশ্চিমি ঝঞ্ঝা আছে, তার প্রভাবও এ রাজ্যে কিছুটা হলেও পড়ছে। এই দুই কারণে আগামী কয়েকদিন রাজ্যে ঝড়বৃষ্টি চলবে।  রবিবার সকাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বজ্রগর্ভ মেঘ সৃষ্টি হয়। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত কোথাও ‘কমলা সতর্কতা’ দেওয়া হয়নি। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদীয়া, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, মুর্শিদাবাদ সহ পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা ও উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি জেলার কিছু জায়গায় এমন মেঘ তৈরি হয়। বৃষ্টি ও মেঘলা পরিবেশের জন্য গরম কমেছে। এদিন কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (৩০.৮ ডিগ্রি) স্বাভাবিকের থেকে ৩.৮ ডিগ্রি কম ছিল। শনিবারের তুলনায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি কমে যায়। কলকাতায় রবিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় ১০.৪  মিমি বৃষ্টিপাত হয়েছে। এই সময়ে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে বারাকপুরে ( ২৮ মিমি)। এছাড়া, কলাইকুন্ডাতে ২৭.৬ মিমি, ঝাড়গ্রামে ২৩.৬ মিমি, হলদিয়াতে ১৬.২ মিমি, সল্টলেকে ১৩.৬ মিমি, দমদমে ১৪ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ারে (সবচেয়ে বেশি) ৪১ মিমি, বালুরঘাটে ৩২ মিমি, জলপাইগুড়িতে ২৭.২ মিমি বৃষ্টি হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ৩৭-৪১ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা উঠেছিল গত কয়েকদিনে। সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২-৩৪ ডিগ্রিতে নেমে আসে এদিন। এক্ষেত্রে ঝড়বৃষ্টি বাড়লে তাপমাত্রা আরও কমবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ