


রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই ইমপা সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তের পদত্যাগের দাবি জোরাল হয়েছে। পরিবেশক, সিনেমাহল মালিক শতদীপ সাহা সহ একাধিক বিরোধী প্রযোজক পিয়ার ইস্তফা দাবি করেছেন। পিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগও করেছেন তাঁরা। শুক্রবার এই ইস্যুতে মিটিং হয় ইমপার অফিসে। এদিন পিয়া বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যা যা অভিযোগ, তার প্রমাণ দেখাতে পারলে আমি অবশ্যই পদত্যাগ করব। গোটা বিষয়ে এবার লড়াই হবে আইনি পথে।’ শতদীপ বলেছেন, ‘আলোচনা হয়েছে। আমরা কাউকে জোর করিনি। পুরো কমিটিটাই পদত্যাগ করতে পারে, নয়তো উনি (পিয়া) নিজেও পদত্যাগ করতে পারেন, এমন আলোচনাও হয়েছে।’ শতদীপ জানান, আগামী ১৪ মে ফের বৈঠকে বসবেন তাঁরা। তবে পিয়া আগামী ২২ মে ফের বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে আদালত তার আগেই বর্তমান কমিটিকে অবৈধ ঘোষণা করলে তিনি তখনই পদত্যাগ করবেন। উল্লেখ্য, গত সোমবার বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরই ইমপা অফিসে যান কয়েকজন প্রযোজক। অভিযোগ তাঁরা গঙ্গাজল ছিটিয়ে দেন অফিসে। পিয়া অবশ্য সেদিনই জানিয়েছিলেন, ‘ইমপা কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়। আমাদের স্বশাসিত সংস্থা। নির্বাচিত সদস্য রয়েছেন।’ এই আবেদনের পরও অবশ্য বিক্ষোভ কমেনি। পিয়ার ইস্তফা চেয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সভাপতি বেছে নেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন তাঁরা। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বৈঠকে বসার আহ্বানও জানানো হয়। দাবি জানান শতদীপ, মিলন ভৌমিক, রতন সাহা, কৃষ্ণনারায়ণ সাহা, গৌতম দাস প্রমুখ। গত মঙ্গলবার প্রযোজকরা থানায় পিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগও করেছিলেন। থানায় জেনারেল ডায়েরি করেন পিয়াও। বুধবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর সেনা কর্মীরা জড়ো হন ইমপা অফিসে। পুলিশ কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। ২২ তারিখের বৈঠকের পর সভাপতি বদল নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয় কি না, নজর রাখছে ইন্ডাস্ট্রি।