


পাঞ্জাবি অভিনেতা সুভিন্দর পাল ভিকি এখন বলিউডের পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন। সম্প্রতি নেটফ্লিক্স-এর ‘গ্লোরি’ সিরিজে নজর কেড়েছেন তিনি। একান্ত সাক্ষাৎকারে অভিনয় জীবনকে ঘিরে কিছু কথা ভাগ করে নিলেন তিনি।
প্রস্তুতি
‘গ্লোরি’ সিরিজে সুভিন্দরকে বক্সিং কোচের ভূমিকায় দেখা গেছে। এই চরিত্রের জন্য অভিনেতাকে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে। প্রায় আড়াই মাস ধরে চলা ট্রেনিংয়ে তিনি শুধু বক্সিংয়ের টেকনিকই নয়, একজন কোচের শারীরিক ভাষা এবং প্রশিক্ষণ দেওয়ার ধরনও রপ্ত করেছেন। সুভিন্দর বলেন ‘আমি এর আগে কখনো বক্সিং রিংয়ে নামিনি, আর বক্সিং সম্পর্কে এত বিস্তারিত জানতামও না। এই চরিত্রের জন্য বক্সিংয়ের অনেক কিছু শিখতে হয়েছে।’
রাতারাতি সাফল্য
সুভিন্দর জানান, নেটফ্লিক্সের ‘কোহরা’ সিরিজটি তাঁকে রাতারাতি সাফল্য দিয়েছে। ‘এই সিরিজ থেকে মানুষ আমাকে নতুন করে চিনতে শুরু করেন। পুরনো কাজও খুঁজে দেখতে থাকেন। ‘কোহরা’ আমার জীবন থেকে সব কুয়াশা সরিয়ে দিয়েছিল’, বলেন অভিনেতা।
স্মরণীয় চরিত্র
আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর ২’ ছবিতে অর্জুন রামপালের বাবার চরিত্রে দেখা গিয়েছে সুভিন্দরকে। সে প্রসঙ্গে অভিনেতা বলেন, ‘চরিত্র ছোটো বা বড়ো নয়, একজন অভিনেতা হিসেবে তা প্রাণবন্ত করে তোলাই আমার লক্ষ্য।’
পাঞ্জাব থেকে মুম্বই
পাঞ্জাবি ছায়াছবি জগতের তারকা সুভিন্দর আজ বলিউডে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তুলেছেন। তাঁর কথায়, ‘পাঞ্জাবি সিনেমা থেকেই আমার যাত্রা শুরু। ছোটো ছোটো চরিত্র করতে করতেই ধীরে ধীরে আজকের জায়গায় পৌঁছেছি। কান চলচ্চিত্র উৎসব থেকে শুরু করে বলিউডের বড়ো পরিচালকদের নজরে আসা, সব মিলিয়ে এই পথটা আমার কাছে সত্যিই ‘টপ অফ দ্য ওয়ার্ল্ড’-এর মতো অনুভূতি।’
অপূর্ণ ইচ্ছে
বলিউড সুভিন্দরকে সাদরে গ্রহণ করেছে। তাও তাঁর একটি ইচ্ছে কোনোদিন পূরণ হবে না। আক্ষেপের সুরে অভিনেতা বলেন, ‘ইরফান খানের সঙ্গে কখনো স্ক্রিন শেয়ার করা হল না। ওঁর মতো অভিনেতা খুব কমই জন্মান। এই আপশোস সারা জীবন আমাকে বয়ে বেড়াতে হবে।’
দেবারতি ভট্টাচার্য • মুম্বই