Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

লোকসভায় পাশ ইমিগ্রেশন বিল, সমালোচনায় সাংসদ সৌগত রায়

লোকসভায় পাশ ইমিগ্রেশন বিল, সমালোচনায় সাংসদ সৌগত রায়
  • ২৮ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বৃহস্পতিবার ‘দ্য ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স বিল ২০২৫’ বিলের আলোচনায় অংশ নিয়ে মোদি সরকারের প্রবল সমালোচনা করলেন তৃণমূলের সৌগত রায়। বিলটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের। যদিও যা বলেছেন, পরে তা লোকসভার সচিবালয় থেকে কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

সৌগতবাবু বলেন, বিদেশিরা এদেশে এলে ভারতের বিদেশি মুদ্রা আয় হয়। সরকারেরই ভালো। তাই বিদেশিদের এদেশে আসার আহ্বানও করা হচ্ছে। কিন্তু তাঁদের গতিবিধির ওপর নজরদারি কড়া করার লক্ষ্যে যে নতুন এই বিল আনা হচ্ছে, তাতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হবে। বিদেশে আমাদের নাম খারাপ হবে। ভারতীয়দের হাতকড়া পরিয়ে আমেরিকা সম্প্রতি যেভাবে ফেরত পাঠিয়েছে, সে প্রসঙ্গও তোলেন সৌগতবাবু। তিনি বলেন, বিলটি পাশ না করিয়ে সংসদীয় যৌথ কমিটিতে পাঠানো হোক। বিল নিয়ে জবাবি ভাষণে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, ভারত কোনও ধর্মশালা নয়। দেশের সুরক্ষার পক্ষ যাঁদের বিপদ বলে চিহ্নিত করা হবে, তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হবে না। কেু যদি দেশের উন্নয়নে শামিল হতে চান, তাঁকে সবসময় স্বাগত। বিলটি এদিন লোকসভায় পাশ হয়েছে।
অন্যদিকে, এদিন রাজ্যসভায় সুখেন্দুশেখর রায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সুরক্ষার প্রশ্ন তোলেন। বলেন, ৮৬৫ কিলোমিটার এলাকা এখনও বেড়াহীন। অনুপ্রবেশ ইস্যুতে অমিত শাহ সুযোগ পেলেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন। তারই জবাবে তৃণমূল এদিন বলেছে, বিএসএফের নজরদারির এলাকা সীমান্তের ১৫ কিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৫০ কিলোমিটার করা হয়েছে। কিন্তু গুজরাতে ৮০ থেকে কমিয়ে ৫০ করা হয়েছে। মজার ব্যাপার হল, বিএসএফ অনুপ্রবেশ রুখতে ব্যর্থ। আর অমিত শাহর তার দায় চাপান রাজ্য সরকারের ওপর। 
তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন আন্দামানে সেলুলার জেল সম্পর্কে প্রশ্ন রেখেছিলেন। লিখিত প্রশ্নের জবাবে সংস্কৃতি মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত জানিয়েছেন, সেলুলার জেলে পাঠানো ৫৮৫ জন স্বাধীনতা সংগ্রামীর মধ্যে ৩৯৮ জনই অবিভক্ত বাংলার। বিজেপির বিরুদ্ধে বাঙালি বিরোধী ইমেজ তুলে ধরতে এদিন লোকসভায় জিরো আওয়ারে নিজের এলাকার এক সংখ্যালঘু শ্রমিকের হরিয়ানায় কাজ করতে মৃত্যু হওয়ার ঘটনা উল্লেখ করেন তৃণমূল সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল। বলেন, বাংলা থেকে মাইগ্রেন্ট লেবার হিসেবে হরিয়ানায় কাজ করতে গিয়েছিলেন সাবির মল্লিক। সেখানে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতদেহ বাংলায় ফেরত আনতে ৭০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। হরিয়ানা সরকার কিছুই করেনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ