Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘আমি রেডি’, সঙ্গীকে বার্তা দিয়েই মধ্যমগ্রামে দোকান থেকে হার চুরি

ক্রেতা সেজে দোকানে এসে সোনার হার নিয়ে চম্পট দিল এক দুষ্কৃতী। মঙ্গলবার ভরদুপুরে মধ্যমগ্রাম শহরের এই ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

‘আমি রেডি’, সঙ্গীকে বার্তা দিয়েই মধ্যমগ্রামে দোকান থেকে হার চুরি
  • ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: ক্রেতা সেজে দোকানে এসে সোনার হার নিয়ে চম্পট দিল এক দুষ্কৃতী। মঙ্গলবার ভরদুপুরে মধ্যমগ্রাম শহরের এই ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ঘটনায় পুলিসি নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ।

Advertisement

ঘড়ির কাঁটায় তখন দুপুর ১টা। প্রায় সব দোকান খোলা রয়েছে। সেই সময় বাইক থেকে নামে বছর আঠাশের এক যুবক। গটগট করে হেঁটে বাদু রোডের আব্দালপুরে সোনার দোকানে ঢোকে। দোকানদার রঞ্জিত পাল বেশ কয়েকটি সোনার হার দেখান। সবমিলিয়ে মোট আটটি হার বের করে দেন তিনি। ক্রেতা সেজে আসা দুষ্কৃতী হারের দাম জানতেও চেয়েছিল। এরপর অন্যান্য জিনিস দেখতে থাকে। কিন্তু সোনার হার পছন্দ হওয়ায় ফের দোকানদারকে সেগুলি বের করতে বলে। হঠাৎ সে একটি ফোন করে। অপরপ্রান্তে থাকা ব্যক্তিকে বলে, সমস্ত কিছু কেনা হয়ে গিয়েছে, আমি রেডি। বের হও। তারপরই ফোন কেটে দোকানের টেবিলে রাখা আটটি সোনার হার নিয়ে পালায় দুষ্কৃতী। রাস্তায় বাইক স্টার্ট দিয়ে দাঁড়িয়েছিল সঙ্গী। দ্রুত ছুটে গিয়ে তার বাইকে উঠে চম্পট দেয় দুষ্কৃতী। দোকানদার রঞ্জিত পাল বলেন, আমি বুঝতে পারিনি এই ধরনের ঘটনা ঘটবে ভরদুপুরে। আমি দৌড়ে গিয়ে ধরার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু পারলাম না। আমার মনে হচ্ছে, রেডি বলে তার সঙ্গীকে সতর্ক করে দিয়েছিল। আমি পুলিসে অভিযোগ করেছি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজও থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। খোয়া যাওয়া সোনার হারের ওজন কম করে ৭০ গ্রাম। কয়েকলক্ষ টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হলাম। অন্যদিকে, স্থানীয় বাসিন্দা বলরাম মণ্ডল ও মৌসুমী তালুকদার বলেন, ভরদুপুরে ঘটনায় খুবই আতঙ্ক লাগছে। পুলিস জানিয়েছে, এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও সবরকম টেকনিক্যাল সাহায্য নিয়ে অভিযুক্তদের খোঁজার চেষ্টা চলছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ