নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইডেনে প্রথম টেস্ট জয়েই কাজ শেষ হচ্ছে না। বরং ভারতে টেস্ট সিরিজ জেতাই এখন পাখির চোখ দক্ষিণ আফ্রিকার। ১৫ বছর পর এদেশে টেস্ট জয়ের তৃপ্তির মধ্যেই নতুন সঙ্কল্প প্রোটিয়া শিবিরে। কোচ শুকরি কনরাড সাফ বলেছেন, ‘বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জেতার মতোই গুরুত্বপূর্ণ ইডেনের সাফল্য। গত ১৫ বছর আমরা যা করতে পারিনি, তা এখানে সম্ভব হয়েছে। সম্প্রতি আমরা পাকিস্তানে টেস্ট জিতেছি। এবার ভারতেও জিতলাম। তবে কাজ এখনও বাকি। একটা টেস্টে জয় নয়, সিরিজ জেতার লক্ষ্য নিয়েই এসেছি ভারতে।’
২০০০ সালে শেষবার এদেশে টেস্ট সিরিজ জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। গুয়াহাটিতে তাই সিরিজ জেতার জন্য ঝাঁপাবে তেম্বা বাভুমা ব্রিগেড। ইডেনে ১-০ এগিয়ে যাওয়া আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে প্রোটিয়া শিবিরে। কোচের কথায়, ‘এই দলকে নিয়ে গর্বিত। নিজেদের উপর বিশ্বাস রয়েছে সবার। একজোট হয়ে খেলি আমরা। কখনওই হাল ছাড়ি না। এগিয়ে যাওয়ার পথে সেটাই ভরসা জোগাবে।’
পাকিস্তানে দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট জেতার নেপথ্যে বড় অবদান ছিল স্পিনারদের। ইডেন টেস্টের সেরা হয়েছেন প্রোটিয়া অফস্পিনার সাইমন হার্মার। দক্ষিণ আফ্রিকার নবীন প্রজন্ম এতে স্পিনার হয়ে উঠতে উৎসাহ পাবে বলে ধারণা কনরাডের। তাঁর কথায়, ‘আমরা এখন স্পিনারদের উপর নির্ভর করছি। এতে তরুণরা উৎসাহ পাবে। কেউ আর দক্ষিণ আফ্রিকাকে পেস বোলিং নির্ভর বলতে পারবে না। একঝাঁক দক্ষ স্পিনার নিয়ে ভারতে আসতে পারায় আমি রোমাঞ্চিত। উপমহাদেশে সবসময় স্পিনারের সমস্যাতেই ভুগতে হয়েছে। এখন আমরা স্পিনারদের উপর অনেক বেশি ভরসা রাখছি।’
অধিনায়ক বাভুমার প্রশংসা করে কোচের মন্তব্য, ‘তেম্বাই দলের সেরা ব্যাটসম্যান। ওর চোট সারিয়ে ফেরা স্বস্তি এনেছিল। গত দেড়-দুই বছরে বিশ্বসেরা ব্যাটসম্যানদের তালিকায় উঠে এসেছে তেম্বা। এই টেস্টেও অসামান্য স্কিলের পরিচয় রাখল। সেটাই দু’দলের মধ্যে ফারাক গড়ে দিয়েছে।’