নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা, মালদহ: পূর্ত দপ্তরের বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর জখম হলেন সাতজন। আহতদের মধ্যে দু’জন নাবালক বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে ইংলিশবাজার শহরে জেলা প্রশাসনিক কার্যালয়ের সামনে।
Advertisement
পুলিস ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ত দপ্তরের ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগের একজন বাস্তুকার জেলা প্রশাসনিক ভবনে আসছিলেন। ভবনের একেবারে সামনে এসে হঠাৎ গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। ওই একই এলাকায় মালদহ আদালত থাকায় গোটা রাস্তা তখন ভিড়ে ঠাসা। গাড়িটি ব্যস্ততম রাস্তায় একে একে সাত পথচারী এবং পাশে থাকা একাধিক বাইকে সজোরে ধাক্কা মেরে থেমে যায়।
জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া বলেন, আহতদের উদ্ধার করে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কেন ঘটল তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না দেখে ভিতরে থাকা পূর্ত দপ্তরের বাস্তুকার দরজা খুলে ঝাঁপ দেন। তিনিও গুরুতর জখম হয়েছেন। মালদহ সদর মহকুমা শাসক পঙ্কজ তামাং বলেন, পূর্ত দপ্তরের ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগের বাস্তুকার গাড়িতে ছিলেন। তিনি জানিয়েছেন গাড়ির চালক সংজ্ঞা হারিয়েছিলেন। চালকের প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।
মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আহতদের মধ্যে মহিলা ও পুরুষ এবং শিশুও রয়েছে। আহতরা হলেন সুমারা দেবী, মন্দিরা দাস ও গীতা পোদ্দার (৪২)। তাঁরা পুরাতন মালদহের মহিষবাথানি, মঙ্গলবাড়ির বাসিন্দা। আহত শিশু শেখ ফারহানের (১০) বাড়ি মানিকচকের কামালপুরে। আরেক শিশুর নাম জানা যায়নি। এছাড়াও আহত বাকি দু’জন আইনুল (৫০) ও শেখ সামিউল। তাঁদের বাড়ি মহিষবাথানি ও মানিকচকের কামালপুরে।
পুলিস সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, প্রাথমিকভাবে কেউ কেউ বলছেন ওই চালকের মৃগী রোগের কিছু উপসর্গ ছিল। চালকও জানিয়েছেন তাঁর কিছু শারীরিক সমস্যা রয়েছে। চালকের বয়ান খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বয়ান সত্যি হলে কীভাবে তাঁর ড্রাইভিং লাইসেন্স নবীকরণ করা হল, সেটাও খতিয়ে দেখা হবে।
জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া বলেন, আহতদের উদ্ধার করে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কেন ঘটল তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না দেখে ভিতরে থাকা পূর্ত দপ্তরের বাস্তুকার দরজা খুলে ঝাঁপ দেন। তিনিও গুরুতর জখম হয়েছেন। মালদহ সদর মহকুমা শাসক পঙ্কজ তামাং বলেন, পূর্ত দপ্তরের ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগের বাস্তুকার গাড়িতে ছিলেন। তিনি জানিয়েছেন গাড়ির চালক সংজ্ঞা হারিয়েছিলেন। চালকের প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।
মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আহতদের মধ্যে মহিলা ও পুরুষ এবং শিশুও রয়েছে। আহতরা হলেন সুমারা দেবী, মন্দিরা দাস ও গীতা পোদ্দার (৪২)। তাঁরা পুরাতন মালদহের মহিষবাথানি, মঙ্গলবাড়ির বাসিন্দা। আহত শিশু শেখ ফারহানের (১০) বাড়ি মানিকচকের কামালপুরে। আরেক শিশুর নাম জানা যায়নি। এছাড়াও আহত বাকি দু’জন আইনুল (৫০) ও শেখ সামিউল। তাঁদের বাড়ি মহিষবাথানি ও মানিকচকের কামালপুরে।
পুলিস সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, প্রাথমিকভাবে কেউ কেউ বলছেন ওই চালকের মৃগী রোগের কিছু উপসর্গ ছিল। চালকও জানিয়েছেন তাঁর কিছু শারীরিক সমস্যা রয়েছে। চালকের বয়ান খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বয়ান সত্যি হলে কীভাবে তাঁর ড্রাইভিং লাইসেন্স নবীকরণ করা হল, সেটাও খতিয়ে দেখা হবে।



