সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: পথদুর্ঘটনায় পরিবারের দু’জনের মৃত্যুর ১২দিন পর নিখোঁজ যুবকের দেহ উদ্ধার হল। ১০ডিসেম্বর ইলামবাজারের গোপালনগরে স্কুলবাসের সঙ্গে বাইকের সংঘর্ষ হয়। সেই বাইকে তিনজন আরোহী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দু’জনের দেহ ঘটনাস্থলে পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু সাগর মালের(২০) খোঁজ এতদিন মেলেনি। রবিবার দুর্ঘটনাস্থলের কিছুটা দূরে স্থানীয়রা দুর্গন্ধ পান। সেখানে আগাছায় ভরে যাওয়া নর্দমা থেকে এই যুবকের দেহ উদ্ধার হয়। ইলামবাজার থানার পুলিস দেহ ময়নাতদন্তের জন্য বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়। ১০ ডিসেম্বর দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের লোকজন এসে যুবকের দেহ শনাক্ত করেন।
Advertisement
পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম থানা এলাকায় এই যুবকের বাড়ি। কিন্তু দুর্ঘটনার ১২দিন পরও কেন তাঁর দেহের খোঁজ মেলেনি, সেই বিষয়টি পুলিসকে ভাবাচ্ছে। মৃতের পরিবারের দাবি, সাগরকে খুন করা হয়েছে। কারণ তাঁর শরীরে সেভাবে দুর্ঘটনার চিহ্ন লক্ষ করা যাচ্ছে না। অথচ তাঁর মাথা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
ইলামবাজার থানার পুলিস একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। এলাকায় আর কেউ নিখোঁজ ছিল কিনা-তাও পুলিস খতিয়ে দেখছে। মৃতের স্ত্রী পায়েল মাল বলেন, দেহটি এতদিন পরে কীভাবে পাওয়া গেল? শরীর দেখে মনে হচ্ছে, কেউবা কারা ওঁকে আটকে রেখেছিল। পরে খুন করে ফেলে দিয়েছে।
ইলামবাজার থানার পুলিস একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। এলাকায় আর কেউ নিখোঁজ ছিল কিনা-তাও পুলিস খতিয়ে দেখছে। মৃতের স্ত্রী পায়েল মাল বলেন, দেহটি এতদিন পরে কীভাবে পাওয়া গেল? শরীর দেখে মনে হচ্ছে, কেউবা কারা ওঁকে আটকে রেখেছিল। পরে খুন করে ফেলে দিয়েছে।



