সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: তারকেশ্বর ব্লকের বালিগড়ি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় নয়ানজুলি ভরাট করে একের পর এক দোকান গড়ে উঠেছে। জানা গিয়েছে, সব দোকানঘরই অবৈধ। তৃণমূলের নেতারা টাকা নিয়ে পূর্তদপ্তরের ওই জমিতে দোকানগুলি তৈরির অনুমতি দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পঞ্চায়েত প্রধান বলেছেন, নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে ব্যবস্থা নিতে বলব।
গত ১৫ বছরে তারকেশ্বর টাউনের পাশাপাশি প্রায় বেশিরভাগ পঞ্চায়েত এলাকায় পূর্তদপ্তর, ডিভিসি ও সরকারি জায়গায় গড়ে উঠেছে একাধিক পাকা নির্মাণ। সেখানে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, দোকানঘর গড়ে উঠেছে। তারকেশ্বরের বালিগড়ি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বৈদ্যবাটি-তারকেশ্বর রোডের পাশে গড়ে উঠেছে এমনই সব দোকান। পূর্তদপ্তরের ওই বিশাল নয়ানজুলির উপর ঢালাই পিলার দিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে একাধিক দোকান। কীভাবে রাস্তার পাশে ওই জলাশয়ের উপর এভাবে দোকান তৈরি হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকার মানুষ। এই চিত্র শুধু তারকেশ্বরে নয়, একই অভিযোগ উঠেছে হরিপাল ও ধনেখালিতেও। প্রতিটি জায়গায় তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা জড়িত বলে অভিযোগ।
বিজেপির মণ্ডল সহ সভাপতি সঞ্জিত মণ্ডল বলেন, তৃণমূলের নেতা ও পদাধিকারীরা টাকার বিনিময়ে সরকারি জায়গা ও জলাশয় দখল করে এই দোকানগুলি তৈরি করিয়েছিলেন। আমরা চাই, অবিলম্বে এর তদন্ত করা হোক এবং সরকারি জায়গা পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হোক।
এমনই এক দোকানের মালিক শেখ সামসের আলি বলেন, আমার দোকান সহ এই এলাকার সবকটি দোকানই অবৈধভাবে তৈরি করা হয়েছে। এই দোকানগুলি তৈরির সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতারা আমাদের থেকে টাকা নিয়েছেন। তৈরি করতেও কয়েক লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। বালিগড়ি ১ নম্বর পঞ্চায়েতের প্রধান দীনবন্ধু মাটি বলেন, ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে আমি প্রধানের দায়িত্ব নিয়েছি। আমি দায়িত্বে থাকাকালীন এই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আগে এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
নিতে বলব।