সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: ক্রমশ দখল হয়ে যাচ্ছে কাকদ্বীপের বুধাখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে থাকা ঘিয়াবতী খাল। তা দখল করে কিছু অসাধু ব্যক্তি কংক্রিটের বাড়ি তৈরি করছেন। ফলে এই এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ হতে বসছে।
সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: ক্রমশ দখল হয়ে যাচ্ছে কাকদ্বীপের বুধাখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে থাকা ঘিয়াবতী খাল। তা দখল করে কিছু অসাধু ব্যক্তি কংক্রিটের বাড়ি তৈরি করছেন। ফলে এই এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ হতে বসছে।
জানা গিয়েছে, প্রায় ১০ বছর আগে এই খালে জোয়ার-ভাটা পর্যন্ত খেলা করত। সে সময় খাল চওড়া ছিল প্রায় ৩৫ ফুট। বর্তমানে কংক্রিটের বাড়ি নির্মাণের ফলে খাল মাত্র ২০ ফুট চওড়া আছে। ঘিয়াবতী দিয়ে তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রায় পাঁচটি মৌজার জল নিকাশি হয়। কিন্তু দখলদারি এবং সংস্কার না হওয়ায় নিকাশি প্রায় বন্ধ। ছ’দিন টানা বৃষ্টির পর কয়েক হাজার বিঘা কৃষিজমি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বিবেকানন্দ গিরি নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘সংস্কার না হওয়ায় মশা ও মাছির উপদ্রব বেড়েছে। দখলদারি নিয়ে বেশ কয়েকবার গ্রামবাসীরা বিভিন্ন দপ্তরে জানিয়েছেন। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে খাল দখল হয়েই চলছে। এর ফলে আগামী দিনে এই এলাকায় চাষ করা যাবে না। বসবাসও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে।’ বুধাখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বাণেশ্বর দাস বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। তবে বাড়ি তৈরির জন্য কেউ পঞ্চায়েত থেকে অনুমতি নেন না। বাম আমল থেকেই অবৈধ নির্মাণ হয়ে চলেছে। সব জেনেও
সেচদপ্তর ও প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না। খাল সংস্কারেরও প্রয়োজন। জেলা পরিষদে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।’-নিজস্ব চিত্র