নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বহু টাকা বাকি। বারবার তাগাদা সত্ত্বেও লাভ হয়নি কিছুই। স্পনসর শ্রাচী গ্রুপের উপর প্রচণ্ড বিরক্ত আইএফএ। বঙ্গীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার পক্ষ থেকে আইনি চিঠিও পাঠানো হয়েছে শ্রাচীর কাছে। এই প্রসঙ্গে আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্তের মন্তব্য, ‘সংস্থার সীমিত সামর্থ্য। তার মধ্যেই বিভিন্ন ভেন্ডরের টাকা মেটাতে হয়। স্পনসররা টাকা না মেটালে সত্যিই বড় সমস্যা।’ অন্যদিকে, শ্রাচী গোষ্ঠীর অন্যতম কর্ণধার রাহুল টোডি বললেন, ‘কোনো চিঠি আমার কাছে আসেনি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলব।’
আইএফএর সঙ্গে তিন বছরের চুক্তি হয়েছিল শ্রাচীর। সূত্রের খবর, ঘরোয়া লিগ, আইএফএ শিল্ড ও বেঙ্গল সুপার লিগ আয়োজনের জন্য প্রায় ৪.৫ কোটি টাকা দেওয়ার কথা। এরমধ্যে বেঙ্গল সুপার লিগের জন্য ২ কোটি টাকা জমা পড়ার কথা বঙ্গ ফুটবল সংস্থার কোষাগারে। শুরুতে মসৃণভাবেই চলছিল সবকিছু। হানিমুন পিরিয়ড পেরিয়ে যেতেই সমস্যার শুরু। শোনা যাচ্ছে, মাত্র ১ কোটির সামান্য বেশি কিছু টাকা ঠেকিয়েই হাত ধুয়ে ফেলেছে স্পনসর গোষ্ঠী। ফলে বেজায় সমস্যায় আইএফএ। সরকারিভাবে ৩১ মে ফুটবল মরশুম শেষ। পাশাপাশি ২৫ জুন ঘরোয়া লিগ শুরু করতে চান সুতারকিন স্ট্রিটের কর্তারা। টুর্নামন্টে আয়োজনের খরচ কম নয়। পাশাপাশি টেলিকাস্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। সবমিলিয়ে পরিস্থিতি বেশ জটিল। শ্রাচী গোষ্ঠীকে নিয়ে ময়দানে কম বিতর্ক নেই। এর আগে মহমেডান স্পোর্টিংয়ের ইনভেস্টর ছিল তারা। কিন্তু শেয়ার ট্রান্সফার ইস্যুতে জলঘোলা হতেই দায়িত্ব ছাড়ে। মহমেডান কর্তাদের অভিযোগ ছিল, দায়িত্ব নিয়ে তাদের ডুবিয়েছে ইনভেস্টররা।