বেকেনহ্যাম: যশপ্রীত বুমরাহ কি ম্যাঞ্চেস্টারে খেলবেন? তৃতীয় টেস্টের পুরস্কার বিতরণী মঞ্চেই শুভমান গিলকে প্রশ্নটা ছুড়ে দিয়েছিলেন সঞ্চালক। ভারত অধিনায়কের জবাব, ‘শীঘ্রই জানতে পারবেন।’ আসলে উত্তরটা বোধহয় গিলের কাছেও ছিল না। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে বুমরাহ জানিয়ে দিয়েছিলেন, ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কথা মাথায় রেখে তিনটি টেস্টের বেশি খেলবেন না তিনি। পরে সাংবাদিক সম্মেলনে কোচ গৌতম গম্ভীরও সেকথা জানান। দলের সেরা স্ট্রাইক বোলারকে নিয়ে এমন টালবাহানায় বেজায় চটেছেন দীলিপ বেঙ্গসরকার। ভারতের প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার বলেন, ‘বেছে বেছে ম্যাচ খেলার পক্ষপাতি নই। দলের সঙ্গে যখন সফরে গিয়েছ, ফিট থাকলে সব ম্যাচই খেল। তাছাড়া বুমরাহ বিশ্বের অন্যতম সেরা পেসার। একার হাতে দলকে জেতাতে সক্ষম।’
গত অস্ট্রেলিয়া সফরের শেষ ম্যাচে চোট পেয়ে তিন মাসের জন্য মাঠের বাইরে ছিলেন বুমবুম। তাঁকে ওয়ার্কলোড কমানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসক। সেই মতো বেছে বেছে ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। হেডিংলেতে প্রথম ম্যাচে ভারতের হারের পরও দ্বিতীয় টেস্টে খেলেননি বুমরাহ। এই প্রসঙ্গে বেঙ্গসরকারের খোঁচা, ‘সবার আগে দেশ। আনফিট থাকলে কোনও ম্যাচই খেলার দরকার নেই। প্রথম ও দ্বিতীয় টেস্টের মাঝে ৭-৮ দিন সময় ছিল। তা সত্ত্বেও এজবাস্টনে খেলেনি বুমরাহ, যা মোটেই কাম্য নয়। কোচ ও নির্বাচক প্রধান বিষয়টি কীভাবে মেনে নিলেন, তা বোধগম্য হচ্ছে না।’
ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার ডেভিড লয়েডও সুর মিলিয়েছেন দীলিপ বেঙ্গসরকারের সঙ্গে। তাঁর কথায়, ‘ওল্ড ট্রাফোর্ডে বুমরাহ খেললে সিরিজ ২-২ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ওর খেলা উচিত।’ একটু থেমে তাঁর সংযোজন, ‘অনেকের মুখে শুনেছি, বুমরাহ না খেললেই নাকি ভারত বেশি ম্যাচ জেতে। তবে এটা অস্বীকারের জায়গা নেই যে, ও এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা বোলার।’ উল্লেখ্য, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুই টেস্টে ১২টি উইকেট নিয়েছেন বুমবুম। তার মধ্যে দুই ইনিংসে রয়েছে পাঁচটি করে উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব।