Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শক্তিনগরের রথে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার সঙ্গে থাকে রাধাকৃষ্ণের মূর্তিও

বাংলার ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা উৎসব এক অনন্য ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মিলনের ক্ষেত্র। কৃষ্ণনগরের শক্তিনগর অঞ্চলের রথযাত্রা এক বিশেষ ঐতিহ্য বহন করে। এবছর শক্তিনগরের রথযাত্রা ৫২তম বর্ষে পদার্পণ করল।

শক্তিনগরের রথে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার সঙ্গে থাকে রাধাকৃষ্ণের মূর্তিও
  • ২৭ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর: বাংলার ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা উৎসব এক অনন্য ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মিলনের ক্ষেত্র। কৃষ্ণনগরের শক্তিনগর অঞ্চলের রথযাত্রা এক বিশেষ ঐতিহ্য বহন করে। এবছর শক্তিনগরের রথযাত্রা ৫২তম বর্ষে পদার্পণ করল। এই রথে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার মূর্তির সঙ্গে থাকে রাধা-কৃষ্ণের মূর্তিও। রথযাত্রাকে ঘিরে শক্তিনগর মাঠে বিরাট মেলাও বসে। আজ, শুক্রবার সকাল থেকেই এখানে ভক্তদের আনাগোনা শুরু হবে। পুরোহিত পুজো সম্পন্ন করার পরেই ভক্তদের উপস্থিতিতে শুরু হয় রথ টানা। আট থেকে আশি, সকলে একত্রে রশিতে টান দেন। রথ পরিচালন সমিতির সদস্য জীবন সূত্রধর বলেন, এবার আমাদের রথ ৫২ বছরে পদার্পণ করল। রীতি মেনে সকালে প্রভুকে খিচুড়ি ভোগ দিয়ে রথে তোলা হবে। রথ থেকে নামার পর প্রভুকে দেওয়া হবে শীতল ভোগ। রথের ঘোড়াটি  দু’বছর আগে বদলানো হয়েছে। বর্তমান এই রথটির বয়স প্রায় ২০ বছর। রথে প্রচুর জনসমাগম হয়, মাঠে মেলা বসে। সকল ভক্তদের প্রসাদ বিতরণ করা হবে। মেলায় আসা এক জিলিপি ব্যবসায়ী রাহুল যাদব বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছরেরও বেশি সময় এই রথের মেলায় দোকান করি। মেলা আগের থেকে অনেক বড় হয়েছে। তাতে দোকানের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো লাভ হয় না।

Advertisement

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে,  রথযাত্রার সময় যাতে কোনরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। সকলের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদযাপনই তাদের মূল লক্ষ্য।  শক্তিনগরের রথ সামাজিক সংহতিরও প্রতীক। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই রথযাত্রা শক্তিনগরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অঙ্গ হয়ে উঠেছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ