সংবাদদাতা, কালিয়াগঞ্জ: ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় প্রথম বর্ষের এক ছাত্রী এবং তার বন্ধু-বান্ধবীদের মারধর করার অভিযোগ উঠল। ভাঙা হল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ইউনিয়ন অফিসও। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার চাঞ্চল্য ছড়ায় কালিয়াগঞ্জ কলেজে। এক সিভিক ভলান্টিয়ার সহ চারজনের বিরুদ্ধে কালিয়াগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ জমা হতেই তদন্ত শুরু হয়েছে।
Advertisement
কলেজ ও পুলিস সূত্রে খবর, কালিয়াগঞ্জ কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী লিসা সাহা শুক্রবার বিকেলে কলেজের মাঠে বসেছিলেন সহপাঠীদের সঙ্গে। সেই সময় কয়েকজন বহিরাগত ছাত্রীদের কটূক্তি ও খারাপ ইঙ্গিত করে। লিসা প্রতিবাদ করায় তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়। শনিবার দুপুরে কলেজে এলে ইউনিয়ন রুমের সামনে লিসাকে আটকে মারধর করা হয়। তাকে বাঁচাতে গেলে কয়েকজন ছাত্রছাত্রী আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ। মারধর ও ভাঙচুর করে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
লিসা বলেন, বহিরাগতরা টেনেহিঁচড়ে ইউনিয়ন রুমের সামনে নিয়ে গিয়ে আমাকে মারধর করেছে। শরীরে কাঁচের টুকরো ঢুকিয়ে দিয়েছে। থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কালিয়াগঞ্জ ব্লক সভাপতি নুর ইসলাম বলেন, আমাদের কলেজের ছাত্রীদের উত্যক্ত করাকে কেন্দ্র করে গণ্ডগোল শুরু। এর পরেই আমাদের কলেজের ছাত্রছাত্রীদের মারধর করা হয়েছে। কালিয়াগঞ্জ থানার এক সিভিক ভলান্টিয়ার এই ঘটনায় যুক্ত।
কালিয়াগঞ্জ থানার আইসি দেবব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, আমরা তদন্ত শুরু করেছি। সিভিক সহ তিন অভিযুক্তকে থানায় ডেকে জেরা করা হয়েছে। কলেজ ক্যাম্পাসের পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তায় আরও জোর দেওয়া হচ্ছে।
লিসা বলেন, বহিরাগতরা টেনেহিঁচড়ে ইউনিয়ন রুমের সামনে নিয়ে গিয়ে আমাকে মারধর করেছে। শরীরে কাঁচের টুকরো ঢুকিয়ে দিয়েছে। থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কালিয়াগঞ্জ ব্লক সভাপতি নুর ইসলাম বলেন, আমাদের কলেজের ছাত্রীদের উত্যক্ত করাকে কেন্দ্র করে গণ্ডগোল শুরু। এর পরেই আমাদের কলেজের ছাত্রছাত্রীদের মারধর করা হয়েছে। কালিয়াগঞ্জ থানার এক সিভিক ভলান্টিয়ার এই ঘটনায় যুক্ত।
কালিয়াগঞ্জ থানার আইসি দেবব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, আমরা তদন্ত শুরু করেছি। সিভিক সহ তিন অভিযুক্তকে থানায় ডেকে জেরা করা হয়েছে। কলেজ ক্যাম্পাসের পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তায় আরও জোর দেওয়া হচ্ছে।



