নার্ভাস অভিনেতা
নার্ভাস অভিনেতা
যে কোনও কঠিন চরিত্র অনায়াসে পর্দায় তুলে ধরেন মনোজ। কিন্তু আজও তিনি শ্যুটিং শুরুর আগে নার্ভাস হয়ে যান। অকপটে বললেন, ‘আমি একটু নার্ভাস অভিনেতা। চিত্রনাট্য না পাওয়া পর্যন্ত অস্থির হয়ে যাই। চিত্রনাট্য পড়ার পর পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করি। শ্যুটিং না শেষ হওয়া পর্যন্ত আলোচনা চলতেই থাকে।’
প্রস্তুতির গল্প
চার বছর পর আবার ‘শ্রীকান্ত তিওয়ারি’কে ফিরিয়ে আনা কতটা কঠিন ছিল? ‘শ্রীকান্ত হয়ে ওঠার জন্য শ্যুটিংয়ের এক মাস আগে থেকে প্রস্তুতি শুরু করেছিলাম। একজন দায়িত্বশীল অভিনেতা হিসেবে আমি সেটে প্রস্তুতি নিয়ে যেতে পছন্দ করি। ১০-১৫ দিন শ্যুটিং হওয়ার পর পুরোপুরি ছন্দে ফিরেছিলাম’, বলেন মনোজ। কতটা আলাদা এই সিজনের গল্প? তাঁর কথায়, ‘এই সিজনে শ্রীকান্তকে কোথাও জিততে দেখা যাবে না। সে নিজের জীবন, পরিবারের নিরাপত্তা, নিজের ইমেজ সব বাঁচানোর জন্য লড়াই করবে। সময় বদলেছে। বাচ্চারা বড় হয়েছে। দাম্পত্যেও নতুন টানাপোড়েন এসেছে। তবে শ্রীকান্ত একই মানুষ।’
নতুন অনুপ্রেরণা
দীর্ঘ অভিনয় জীবনে নিজেকে নিয়ে নানা পরীক্ষানিরীক্ষা করেছেন মনোজ। এখনও নতুন কিছু কি তাঁকে অনুপ্রাণিত করে? অভিনেতার জবাব, ‘আমি অভিনয়কে পেশা নয়, প্যাশন মনে করি। নতুন প্রজন্মের কাজ দেখে সবসময় অনুপ্রাণিত হই। এই সিজনে আমাকে জয়দীপ (আহলওয়াত) আর নিমরত (কাউর) অনুপ্রাণিত করেছে। আসলে আমি অভিনয় এতটা ভালোবাসি যে, কেউ যদি কোটি টাকা দিয়ে আমায় বাড়িতে বসে থাকার কথা বলে, আমি কিছুতেই পারব না।’
বাড়িতে কে ‘বস’?
‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান’ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে মনোজকে সবসময় বসের ভূমিকায় দেখা যায়। মনোজের বাড়ির বস কে? অভিনেতা হেসে বলেন, ‘বাড়িতে মেয়ে আমার ‘বস’। ও যত বড় হচ্ছে আমাকে ততই নানা কিছু শেখাচ্ছে। কীভাবে হাঁটতে হবে, বসতে হবে, কী পরতে হবে— সব এখন আমার মেয়ে আমায় শেখায়। ও আমার ইংরেজির ভুল ধরিয়ে দেয়। আমি ওর থেকে ইংরেজি শিখছি। আর ওকে আমি হিন্দি শেখাই। এভাবেই চলছে।’
দেবারতি ভট্টাচার্য, মুম্বই: