Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

পুজোয় ছুটি পেলে বেড়াতে যাব

পুজোর ঢাকে কাঠি প্রায় পড়েই গিয়েছে। বাতাসে পুজো পুজো গন্ধ আর শহরে আলোর রোশনাই মনে করিয়ে দিচ্ছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব একেবারে দোরগোড়ায়

পুজোয় ছুটি পেলে বেড়াতে যাব
  • ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

পুজোর ঢাকে কাঠি প্রায় পড়েই গিয়েছে। বাতাসে পুজো পুজো গন্ধ আর শহরে আলোর রোশনাই মনে করিয়ে দিচ্ছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব একেবারে দোরগোড়ায়। কিন্তু, পুজোর মাস খানেক আগে থেকেই আমার কাউন্টডাউন শুরু হয়ে যায়। পুজো মানেই হইহুল্লোড়, আনন্দ। তবে এবার কতটা ছুটি ম্যানেজ করতে পারব তা নিয়ে সন্দেহ আছে। আমার ধারাবাহিকের শ্যুটিংয়ের চাপ রয়েছে। এখনও জানি না কবে ছুটি পাব। যদি ছুটি পাই তাহলে বেড়াতে যাব। এখন আর পুজোতে আগের মত ঠাকুর দেখা হয় না। ছোটবেলায় পুজোতে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঠাকুর দেখার উৎসাহ ছিল। সেই দিনগুলোর একটা আলাদা উত্তেজনা ছিল। পুজোর জামা কেনার তাগিদ ছিল। এখন সারা বছর অনলাইন শপিংয়ের দৌলতে পুজোর জামা কেনার আনন্দে ভাঁটা পড়েছে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছু আমাদের জীবন থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়। আগে সবার সঙ্গে নিয়ম করে ঠাকুর দেখার প্ল্যান করতাম। এখন ছুটির প্ল্যান হয়। ঠাকুর দেখা হয় না। তার বদলে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় সময় কাটে। যারা বাইরে থাকে তারা পুজোতে কলকাতায় এলে দেখা হয়। সঙ্গে জমে থাকা মনের কথা আর জমাটি আড্ডা, খাওয়া-দাওয়া মাস্ট। তারই মাঝে থাকে অষ্টমীর অঞ্জলি, ভোগের আয়োজন। বাঙালি জীবনের সঙ্গে এটা যেন ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে আছে। চারটে দিন কীভাবে কেটে যায়, যেন বুঝতেই পারি না। অথচ এই ক’টা দিনের জন্যই সারা বছরের অপেক্ষা থাকে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ