সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ‘আমাদের গাড়ি পুকুরে পড়ে যাওয়ার পর জলের ধাক্কায় আমি সামনের দিক থেকে পিছনে চলে আসি। গাড়ি থেকে বেরনোর জন্য কাচ ঠেলছিলাম। প্রথমে কিছুতেই কাচ খুলতে পারছিলাম না। তারপর একটু সরাতে পেরেই বেরিয়ে পাড়ে উঠি।’ সোমবার বিকেলে নিজের বাড়িতে বসে ভয়াবহ দুর্ঘটনার অভিজ্ঞতা শোনাচ্ছিল চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র প্রিয়ম বাগ। তখনও তার চোখেমুখে আতঙ্ক। পরিবারের সকলে কার্যত নির্বাক। ছোট্ট প্রিয়ম আরও বলে, ‘শ্মশানতলায় একজনকে নামানোর কিছুক্ষণের মধ্যে আমাদের গাড়ি পুকুরে উল্টে যায়। আমি আর অর্ক সামনের সিটে বসেছিলাম। পিছনের সিটে তিনজন ছিল। অর্ক জানালা দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারলেও আমি জলের ধাক্কায় পিছনে চলে আসি। পরে অনেক কষ্টে কাচ খুলে বাইরে বেরিয়ে আসতে পেরেছি। শ্মশাননতলা থেকে গাড়ি ছাড়ার পর স্টিয়ারিং থেকে কাকুর হাত ছেড়ে গিয়েছিল। তারপরেই এটা ঘটল।’ প্রিয়ম জানায়, মাস দু’য়েক আগে চালকের হার্ট অপারেশন হয়েছে। বুকে মেশিন বসানো আছে তাঁর। প্রিয়মের মা প্রিয়াঙ্কা বাগও জানান, চালক শ্রীমন্ত বাগের হার্টের অপারেশন হয়েছে কিছুদিন আগে। তারপর থেকে অন্য একজন গাড়ি চালাচ্ছিলেন। শ্রীমন্ত গাড়ি চালাচ্ছিলেন মাঝেমধ্যে। এদিন তিনিই ছিলেন অভিশপ্ত পুলকারের চালক।



