Bartaman Logo
১৫ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

নিজের মতটা সব জায়গায় জাহির করি না

জি-ফাইভ প্ল্যাটফর্মে আসছে ওয়েবসিরিজ ‘কালীপটকা’। মুক্তির আগে একান্ত আড্ডায় অভিনেতা অনির্বাণ চক্রবর্তী।

নিজের মতটা সব জায়গায় জাহির করি না
  • ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

জি-ফাইভ প্ল্যাটফর্মে আসছে ওয়েবসিরিজ ‘কালীপটকা’। মুক্তির আগে একান্ত আড্ডায় অভিনেতা অনির্বাণ চক্রবর্তী

Advertisement

আপনি সত্যিই এই সিরিজে নাচলেন!

(হাসি) মঞ্চ হোক বা পর্দা— কখনও এর আগে নাচিনি। তবে আমার এমনি একটা ছন্দের বোধ আছে। এই সিরিজটার সঙ্গে যুক্ত একটা প্রোমোশনাল ভিডিওতে আমাকে নাচতে দেখা গিয়েছে। সিরিজে কী আছে বলব না। নাচটা মোটামুটি আমার অভিনীত চরিত্র রানার স্বভাব মতো। আমি তো আর অনির্বাণ হয়ে নাচছি না, তাই রানা কীভাবে নাচতে পারে দেখিয়ে দেওয়ার পর খুব সহজেই করে ফেলতে পেরেছিলাম।

রানা কেমন মানুষ?

রানা একজন গুণ্ডা। যে অসামাজিক। অশিক্ষার পরিবেশে বড় হয়েছে। সেই ভাবেই তার মস্তিষ্ক কাজ করে। রানার একটা অতীত আছে।

টাইপকাস্ট হয়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা ছিল আপনার, সেখান থেকে নিজেকে বাঁচালেন কীভাবে?

আমি নিজেকে অভিনেতা বলে মনে করি। একটা ইমেজ বানিয়ে সেটিকে নিয়েই সারা জীবন থাকতে হবে, এই দায় আমার নেই। যখন একটা নির্দিষ্ট সময় ধরে কোনও চরিত্র শ্যুট করছি, তখন আমি ওই মানুষটা হয়েই জীবন যাপন করছি। এই সুযোগটা পাব বলেই তো অভিনয় নামক শিল্প মাধ্যমটাকে বেছে নিয়েছি।

নতুন চরিত্রে যাপন কীভাবে শুরু করেন?

এর কোনও স্বতন্ত্র টেকনিক নেই। কোনও ছবি বা চরিত্র নিয়ে কথা হলেই আগে আমি চিত্রনাট্য পড়তে চাই। তাতে কী হয়, ধরুন গতকাল একটা ছবির শ্যুট শেষ করেছি। আগামী পরশু আর একটা ছবির শ্যুট শুরু করব। এই মাঝের সময়টায় নতুন চরিত্রটায় ঢোকার প্রসেসটা শুরু হয়ে যায়। দ্বিতীয়ত, এই মুহূর্তে শ্যুটিং-এ যাওয়া আর বাড়ি আসা ছাড়া আমার আর কোনও কাজ নেই। আমি বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিই না। ফিল্মি পার্টিতে যাই না। কারণ, ওই শ্যুটিংয়ের পরের সময়টুকুই আমার নিজস্ব। সেই সময়টা যদি কাজের জন্য না দিই, তাহলে আন্তরিকতা, একাগ্রতার অভাব হবে। আমি সেইটার জন্য আর সবকিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছি। এটা আমার স্বেচ্ছা নির্বাসন। আর সেটা ওই কাজের স্বার্থে। তার জন্য আমার কোনও দুঃখ নেই।

অভিনয়, নাচ— এবার কি আপনাকে গান গাইতেও দেখা যাবে?

না না। আমি একটুও গাইতে পারি না। শুনতে ভীষণ ভালোবাসি। বিভিন্ন রকম গান শুনি। সেখানেও আমার সুর ও তাল বোধ আছে। তবে আমার গলায় একদম সুর নেই (হাসি)।

আপনি ক্ষেত্র বিশেষে প্রতিবাদী। সেটা কি কাজের জগতে সমস্যা সৃষ্টি করে?

দেখুন, অনির্বাণ চক্রবর্তী হিসেবে আমার কাছে আমার মতটা গুরুত্বপূর্ণ। তবে আমি আমার মতটা সব জায়গায় জাহির করি না। দরকারও নেই। যদি করতেও যাই, তাহলে আমাকে দায়িত্ব নিয়ে করতে হবে। সমাজ সংস্কারের ক্ষমতা আমার নেই, তা বলে কি আমার মত নেই? অবশ্যই আছে।

হিন্দি বা দক্ষিণী ছবিতে কাজের ইচ্ছে আছে নিশ্চয়ই?

হিন্দিতে যে অফার আসেনি তা নয়, যেগুলো এসেছে আমার মনে হয়েছে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। দক্ষিণী কোনও ছবি থেকে এখনও ডাক আসেনি।

প্রিয়ব্রত দত্ত

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ