Bartaman Logo
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘স্বামীর মনে কি চলছিল, জানতাম না’ , কানপুরে ব্যবসায়ী খুন কাণ্ডে জেলমুক্তির পর মন্তব্য বধূর

শ্বশুড় ওষুধ ব্যবসায়ী বিনীত মানোচাকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল কানপুরের গৃহবধূ শালু মানোচাকে। তদন্তের পরে পুলিশের ভুল ভাঙে। শালু নয়, মূল কালপ্রিট তাঁর স্বামী সুব্রত মানোচাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপরে সোমবার রেহাই দেওয়া হয় শালুকে।

‘স্বামীর মনে কি চলছিল, জানতাম না’ , কানপুরে ব্যবসায়ী খুন কাণ্ডে জেলমুক্তির পর মন্তব্য বধূর
  • ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

কানপুর: শ্বশুড় ওষুধ ব্যবসায়ী বিনীত মানোচাকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল কানপুরের গৃহবধূ শালু মানোচাকে। তদন্তের পরে পুলিশের ভুল ভাঙে। শালু নয়, মূল কালপ্রিট তাঁর স্বামী সুব্রত মানোচাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপরে সোমবার রেহাই দেওয়া হয় শালুকে। মুক্তি পাওয়ার পরে মঙ্গলবার এই প্রথম মুখ খুললেন শালু। তাঁর স্বামী যে এমন কাণ্ড করতে পারেন, এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না তিনি। সংবাদমাধ্যমের কাছে শালু জানিয়েছেন, ‘সুব্রতর সঙ্গে শ্বশুরের সম্পর্কের টানাপোড়েনের কথা জানতাম। ওঁদের মধ্যে আকচাআকচি ছিল। তবে সেটা খুন পর্যন্ত গড়াতে পারে ভাবতেই পারছি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘স্বামীর মনে কি চলছিল জানতাম না। আমার সঙ্গে কী ঘটে গেল, তা এখনও হজম করতে পারছি না।’ ২১ দিন জেলে থাকাই তাঁর জীবনের কঠিন সময় ছিল। বারবার তাঁর বাড়িতে থাকা ছেলের কথা মনে পড়ছিল বলে জানিয়েছেন শালু। 

Advertisement

গত ৫ সেপ্টেম্বর কানপুরের কল্যাণপুরে নিজের ফ্ল্যাটেই খুন হন বিনীত মানোচা (৬০)। পুলিশি তদন্তে উঠে আসে, সুব্রত  দেনায় ডুবে ছিলেন।  সম্পত্তি হাতছাড়া হওয়ার ভয়ে বাবাকে খুনের সুপারি দিয়েছিল সে। ধরা পড়লে যাতে শালুর ওপর দায় চাপানো যায়, সেই নির্দেশও সুব্রতই খুনিদের দিয়েছিল। পুলিশের তদন্তে সত্য সামনে আসার পর সোমবার আদালত শালুকে নির্দোষ ঘোষণা করে। ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁকে জেল থেকে মুক্তির নির্দেশ দেয় আদালত।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ