Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

লক্ষ্মণকে কেটে ভাসিয়েছি গঙ্গায়! পুলিসি জেরায় স্বীকার ধৃত শিবুর

বাঁশবেড়িয়ার নিখোঁজ যুবককে খুন করা হয়েছে বলে দাবি করল গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্ত। কিন্তু দেহাংশ খুঁজে না পাওয়ায় পুলিস তার দাবির সত্যতা খতিয়ে দেখছে।

লক্ষ্মণকে কেটে ভাসিয়েছি গঙ্গায়!  পুলিসি জেরায় স্বীকার ধৃত শিবুর
  • ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: বাঁশবেড়িয়ার নিখোঁজ যুবককে খুন করা হয়েছে বলে দাবি করল গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্ত। কিন্তু দেহাংশ খুঁজে না পাওয়ায় পুলিস তার দাবির সত্যতা খতিয়ে দেখছে। 

Advertisement

প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে বাঁশবেড়িয়ার লক্ষ্মণকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁর মা পুষ্পা দেবী চৌধুরী গত ২১ আগস্ট মগরা থানায় ছেলের নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ করেন। দিন কয়েকের মধ্যেই শিবনাথ সাউ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে লক্ষ্মণের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিস। সঙ্গে শিবনাথকে জিজ্ঞাসাবাদও চলছিল। শিবনাথের সঙ্গে তার দুই সঙ্গী বিজয় সিং ও অম্লান মালিককেও গ্রেপ্তার করে পুলিস। অবশেষে দিন কয়েক আগে পুলিসের জেরার মুখে শিবনাথ ওরফে শিবু বলে, ‘লক্ষ্মণ চৌধুরীকে আমরা তিনজন মিলে কেটে গঙ্গার জলে ভাসিয়ে দিয়েছি।’ কিন্তু কেন তাঁকে খুন করা হল, সেই উত্তর মেলেনি। 
১৮ আগস্ট বন্ধুদের সঙ্গে দীঘা থেকে বাঁশবেড়িয়ার বাড়িতে ফিরেছিলেন বছর তিরিশের লক্ষ্মণ। রাতে লক্ষ্মণকে শিবু ডেকে নিয়ে যায়। তখন থেকে লক্ষ্মণ আর বাড়ি ফেরেননি। ২১ আগস্ট পুলিসের দ্বারস্থ হন তাঁর মা। এমনকী তাঁর ফোনটিও বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ। লক্ষ্মণের জন্য এলাকার বাসিন্দারা পথ অবরোধও করেন। বিজেপি নেতা ওই এলাকায় গেলে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর শিবু খুনের কথা স্বীকার করে। মঙ্গলবার বাঁশবেড়িয়ার গঙ্গায় ঘটনার একপ্রস্থ পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। যে গামছা ও ছুরি দিয়ে লক্ষ্মণকে খুন করা হয়েছে, সেগুলিও পুলিস খুঁজে পেয়েছে বলে খবর। কিন্তু অনেক চেষ্টা করে, গঙ্গা থেকে লক্ষ্মণের দেহ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সূত্রের খবর, শিবু বেশ কিছুদিন ধরে বিভিন্ন দুষ্কর্মে হাত পাকিয়েছিল। কিন্তু লক্ষ্মণের সঙ্গে তার আলাপ কীভাবে হল? লক্ষ্মণকে ডাকতেই তিনি এত রাতে কেন গিয়েছিলেন? এরকম বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছে পুলিস। এর পাশাপাশি গঙ্গায় কেটে ভাসিয়ে দেওয়ার বিষয়টি আদৌ বিশ্বাসযোগ্য কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিস। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ