Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

বেশ কয়েক রাত ঘুমোতে পারেননি জানিক সিনার, আলকারাজের কাছে হারের জের

এক সপ্তাহ অতিক্রান্ত। কিন্তু বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা জানিক সিনার এখনও ভুলতে পারছেন না দুঃস্বপ্ন।

বেশ কয়েক রাত ঘুমোতে পারেননি জানিক সিনার, আলকারাজের কাছে হারের জের
  • ১৬ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

মিউনিখ: এক সপ্তাহ অতিক্রান্ত। কিন্তু বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা জানিক সিনার এখনও ভুলতে পারছেন না দুঃস্বপ্ন। ফরাসি ওপেনের ফাইনালে ইতালীয় তারকার মুখের গ্রাস কেড়ে নিয়েছিলেন কার্লোস আলকারাজ। নাটকীয় সেই পরাজয়ের ধাক্কায় গত কয়েক রাত কার্যত বিনিদ্র কাটছে সিনারের। কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে আপাতত হ্যাল ওপেনকেই পাখির চোখ করছেন শীর্ষ বাছাই তারকা। পাশাপাশি উইম্বলডনের প্রস্তুতিও এই প্রতিযোগিতা থেকে শুরু করে দিতে চান তিনি। উল্লেখ্য, সোমবার থেকে জার্মানির হ্যালে শুরু হচ্ছে এই গ্রাস কোর্ট টুর্নামেন্ট। গতবারের চ্যাম্পিয়ন সিনার খেতাব ধরে রাখতে মরিয়া।

Advertisement

গত সপ্তাহে ফরাসি ওপেনের ফাইনালে আলকারাজের বিরুদ্ধে প্রথম দু’টি সেট জিতে নিয়েছিলেন সিনার। তৃতীয় সেট যায় স্প্যানিশ তারকার দখলে। তবে চতুর্থ সেটে ফের জ্বলে ওঠেন সিনার। একটা সময় তাঁর সামনে ছিল তিন-তিনটি চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্টের সুযোগ। কিন্তু তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ ইতালিয়ান তরুণ। খাদের কিনারা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে শুধু ওই সেটই নয়, ট্রফিও ছিনিয়ে নেন আলকারাজ। অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ধরে রাখেন মুকুট। বিস্মিত ও বিমর্ষ মুখে কোর্ট ছাড়েন সিনার। এভাবেও হারা যায়? প্রশ্নটা সেই থেকে অবিরাম ঘুরপাক খাচ্ছে তাঁর মাথায়। হ্যাল ওপেনের সাংবাদিক সম্মেলনে সেই তিক্ত অভিজ্ঞতাই ঝরে পড়ল সিনারের কথায়। তিনি বলেন, ‘প্রথমে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এমন হার মেনে নিতে খুব কষ্ট হচ্ছিল। বেশ কয়েক রাত জেগেই কাটিয়েছি। এমন কঠিন সময়ে পরিবার আমার পাশে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি মানসিক ঝটকা সামলাতে বন্ধুদের সঙ্গে টেবিল টেনিসে মেতেছি। এখন অনেকটাই স্বাভাবিক বোধ করছি। নিজেকে বোঝাচ্ছি যে, খেলায় এমনটা হতেই পারে।’
ফরাসি ওপেনের ফাইনালের পর আর টেনিস র‌্যাকেটে হাত দেননি সিনার। হ্যালের  গ্রাস কোর্টেই শুরু করলেন প্রস্তুতি। এই প্রসঙ্গে সিনারের মন্তব্য, ‘সুরকির কোর্ট থেকে ঘাসের কোর্টে মানিয়ে নিতে সামান্য সময় লাগবে। আসল চ্যালেঞ্জ বলের বাউন্সের সঙ্গে সড়গড় হওয়া। সেই মতো প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছি। আমি নিশ্চিত, এখানে স্বমহিমায় ফিরতে পারব।’ সামান্য থেমে তাঁর সংযোজন, ‘যা হয়ে গেছে, তা নিয়ে মাথা ঘামাতে চাই না। নতুন প্রতিযোগিতায় গোড়া থেকে শুরু করতে হবে। এখানে খেতাব ধরে রাখার পাশাপাশি উইম্বলডনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করাই লক্ষ্য।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ