Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভোট দিতে পারব তো! শঙ্কা কালিকাপুরে

কেউ ১৯৮৩ সাল, কেউ ২০০২ সাল থেকে ভোটার। কিন্তু, তাঁদের ফের নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার ফর্ম পূরণ করতে হল।

ভোট দিতে পারব তো! শঙ্কা কালিকাপুরে
  • ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকতা: কেউ ১৯৮৩ সাল, কেউ ২০০২ সাল থেকে ভোটার। কিন্তু, তাঁদের ফের নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার ফর্ম পূরণ করতে হল। তাতেও ভোটার তালিকায় নাম উঠবে কি না, সেই আশঙ্কা তাড়া করে বেড়াচ্ছে যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার নির্মল আইচ, সুচেতা অধিকারীদের। কারণ, এসআইআরের ফর্ম ফিল আপের পরেও খসড়া তালিকায় তাঁদের নাম নেই। উল্টে মৃতের তালিকায় ঠাঁই হয়েছে তাঁদের। স্বাভাবিকভাবেই এখন আশঙ্কা, উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন তাঁরা।

Advertisement

যাদবপুর বিধানসভার ৬১ নম্বর পার্টের ভোটার সুচেতা অধিকারী। তাঁর পোলিং স্টেশন কালিকাপুর আর এফ পি বিদ্যালয়। বাড়ি কালিকাপুর মেইন রোডে। তাঁর স্বামীর ২০০৩ সালে মৃত্যু হয়েছে। তাই ওঁর এসআইআর ফর্ম পাওয়া যায়নি। শুধু সুচেতাদেবী এসআইআরের ফর্ম পেয়েছিলেন। তাঁর দাবি, বিএলও আমাকে প্রথমে একবারও বলেননি, আমার নাম নেই। পরে জানতে পারি মৃতের তালিকায় নাম ঢুকিয়েছেন। সুচেতাদেবীর কথায়, একটা বিচ্ছিরি ব্যাপার। হাসিও পাচ্ছে, রাগও হচ্ছে। স্বামীর ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে গেল। আর আমাকেই মেরে ফেলল! ফের নতুন  ফর্ম ফিল আপ করিয়ে নিয়ে গেল। তবুও, দুশ্চিন্তা যাচ্ছে না। ভোট দিতে পারব তো!
অন্যদিকে, কালিকাপুর ইর্স্টান পার্ক থার্ড রোডের বাসিন্দা নির্মল আইচ ১৯৮৪ সাল থেকে ভোট দিয়ে আসছেন। কিন্তু, এবার এসআইআরের ফর্ম পূরণ করেও তিনি মৃতের তালিকায় ঠাঁই পেয়েছেন। নির্মল আইচের কথায়, সেই ৮৩-৮৪ সাল ভোট দিয়ে আসছি। সব নির্বাচনের ভোটার স্লিপ গুছিয়ে রেখেছি। সুস্থ আছি। বেঁচে আছি। আর আমাকেই মৃত বানিয়ে দিল! ফের নতুন ভোটার হতে হচ্ছে।
স্থানীয় ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অরিজিৎ দাস ঠাকুর (রানা) বলেন, এভাবে জীবিতকে মৃত বানিয়ে দেওয়া– মেনে নেওয়া যায় না। গোটাটাই নির্বাচন কমিশনের অপদার্থতা। তবে ওঁদের সঙ্গে কথা হয়েছে। বিএলওকে বলেছি। ওঁদের নতুন ফর্মও ফিল আপ করানো হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ