নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: সেভক মোড় থেকে মহাত্মা গান্ধী মোড়। দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০০ মিটার। সর্বক্ষণ যানবাহনের জটলা। গাড়ির হর্ন। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি হিলকার্ট রোডের সংশ্লিষ্ট অংশই পাল্টে যাবে ‘হ্যাপি স্ট্রিটে’। নাচ, গান থেকে দাদু ও নাতির ফ্যাশন’শো, পুষ্প থেকে পোষ্য প্রদর্শনী, পুতুল নাচ থেকে ম্যাজিক’শো, খাবারের স্টল সহ হরেকরকম আয়োজন থাকবে সেখানে। শিলিগুড়ি পুরসভা ও পুলিস কমিশনারেটের সঙ্গে যৌথভাবে এমন উৎসবের আয়োজন করছে দার্জিলিং জেলা প্রশাসন। সোমবার তারা এ ব্যাপারে প্রস্তুতি বৈঠক করে। সংশ্লিষ্ট পথ উৎসবের নামকরণ করা হয়েছে ‘তরাই হিমালয়ান ফেস্টিভাল’।
Advertisement
ঠান্ডার দাপট অনেকেটা কমেছে। মাধ্যমিক পরীক্ষায় শেষ হয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি তরাই হিমালয়ান উৎসবে মাতছে শিলিগুড়ি। এজন্য এদিন শহরের পিডব্লুডি বাংলোতে সংশ্লিষ্ট উৎসবের প্রস্তুতি বৈঠক করা হয়। দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল, শিলিগুড়ির পুলিস কমিশনার সি সুধাকর, শিলিগুড়ির এসডিও অবধ সিঙ্ঘাল, মেয়র গৌতম দেব প্রমুখ ছিলেন।
প্রশাসন সূত্রের খবর, শহরে এই প্রথম স্ট্রিট ফেস্টিভ্যাল হচ্ছে। উৎসবের দু’টি অঙ্গ একটি হ্যাপি স্ট্রিট, আরএকটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। হ্যাপি স্ট্রিটে রাস্তার দু’পাশে বিভিন্ন ধরনের স্টল থাকবে। তাতে পুতুল নাচ, ম্যাজিক’শো, শিশুদের মজার খেলা, ছবি ও পুষ্প প্রদর্শনী প্রভৃতি থাকবে। আর মহাত্মা গান্ধী মোড়ে হবে মূল মঞ্চ। সেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। পাশেই থাকবে র্যাম্প। তাতে কচিকাঁচাদের নিয়ে হাঁটবেন দাদুরা। বাচ্চাদের হামগুড়ি দৌড় থাকবে। এছাড়াও গৃহপালিত কুকুর ও বেড়ালের প্রদর্শনীয় থাকবে। সব মিলিয়ে সেখানে হবে ৩০টি স্টল। তাতে খাবারের স্টলও থাকবে। বৈঠকের পর জেলাশাসক বলেন, এই প্রথম পাহাড় ও সমতলের সর্বস্তরের বাসিন্দাদের নিয়ে তরাই হিমালয়ান উৎসব করা হচ্ছে। বেলা ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত উৎসব চলবে। এ ব্যাপারে প্রচার শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন মহলের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। মেয়র বলেন, ওইদিন শহরবাসী কিছুটা অন্যরকমভাবেই কাটাবেন। সেই উৎসবের মধ্য দিয়ে ফের দুর্গা কার্নিভালের স্বাদ মিলতে পারে।
শহরের লাইফ লাইন হিলকার্ট রোড। যার সেভক মোড় থেকে মহাত্মা গান্ধী মোড় গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেখানে এমন অভিনব উৎসব হলে শহরের অন্যান্য রাস্তায় তীব্র যানজট হতে পারে বলে আশঙ্কা। পুলিস কমিশনার অবশ্য বলেন, ওই উৎসব সুষ্ঠুমতো করা হবে। ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট নিয়ে শীঘ্রই বৈঠক করা হবে।
প্রশাসন সূত্রের খবর, শহরে এই প্রথম স্ট্রিট ফেস্টিভ্যাল হচ্ছে। উৎসবের দু’টি অঙ্গ একটি হ্যাপি স্ট্রিট, আরএকটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। হ্যাপি স্ট্রিটে রাস্তার দু’পাশে বিভিন্ন ধরনের স্টল থাকবে। তাতে পুতুল নাচ, ম্যাজিক’শো, শিশুদের মজার খেলা, ছবি ও পুষ্প প্রদর্শনী প্রভৃতি থাকবে। আর মহাত্মা গান্ধী মোড়ে হবে মূল মঞ্চ। সেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। পাশেই থাকবে র্যাম্প। তাতে কচিকাঁচাদের নিয়ে হাঁটবেন দাদুরা। বাচ্চাদের হামগুড়ি দৌড় থাকবে। এছাড়াও গৃহপালিত কুকুর ও বেড়ালের প্রদর্শনীয় থাকবে। সব মিলিয়ে সেখানে হবে ৩০টি স্টল। তাতে খাবারের স্টলও থাকবে। বৈঠকের পর জেলাশাসক বলেন, এই প্রথম পাহাড় ও সমতলের সর্বস্তরের বাসিন্দাদের নিয়ে তরাই হিমালয়ান উৎসব করা হচ্ছে। বেলা ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত উৎসব চলবে। এ ব্যাপারে প্রচার শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন মহলের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। মেয়র বলেন, ওইদিন শহরবাসী কিছুটা অন্যরকমভাবেই কাটাবেন। সেই উৎসবের মধ্য দিয়ে ফের দুর্গা কার্নিভালের স্বাদ মিলতে পারে।
শহরের লাইফ লাইন হিলকার্ট রোড। যার সেভক মোড় থেকে মহাত্মা গান্ধী মোড় গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেখানে এমন অভিনব উৎসব হলে শহরের অন্যান্য রাস্তায় তীব্র যানজট হতে পারে বলে আশঙ্কা। পুলিস কমিশনার অবশ্য বলেন, ওই উৎসব সুষ্ঠুমতো করা হবে। ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট নিয়ে শীঘ্রই বৈঠক করা হবে।



