হায়দরাবাদ: একা রামে রক্ষে নেই, সুগ্রীব দোসর! অভিষেক শর্মা, ট্রাভিস হেডের মতো মারকুটে বাঁ হাতি ব্যাটসম্যান গত মরশুমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ফাইনালে তুলেছিলেন। এবারও আছেন তাঁরা। সেই সঙ্গে টপ অর্ডারে যোগ দিয়েছেন আর এক বাঁ হাতি ঈশান কিষান। ত্রয়ীর দাপটে গত ম্যাচে ঘুম ছুটেছিল রাজস্থান রয়্যালসের। বৃহস্পতিবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের বোলারদেরও অ্যাসিড টেস্ট।
সানরাইজার্স হায়দরাবাদ দলে রয়েছে দুর্দান্ত ভারসাম্য। অভিষেক শর্মা, ট্রাভিস হেড কিংবা ঈশান কিষান যদি শুরুটা ভালো করতে পারেন, তাহলে নীতীশ রেড্ডি, হেনরিখ ক্লাসেনরা সেই ভিতের উপর খাড়া করবেন রানের মিনার। গত ম্যাচে রাজস্থানের বিরুদ্ধে এই ফর্মুলাতেই ২৮৬ রানের পাহাড় গড়েছিল সানরাইজার্স। মরিয়া চেষ্টাতেও তা অতিক্রম করতে পারেননি সঞ্জু স্যামসনরা। হায়দরাবাদের তিন বাঁ হাতি ব্যাটারই অতিরিক্ত ঝুঁকি নেন দ্রুত গতিতে রান তোলার জন্য। তাই লখনউয়ের বোলারদের চেষ্টা করতে হবে প্রথম তিন ব্যাটারকে দ্রুত ডাগ-আউটে ফেরানোর। নতুন বলে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে শার্দূল ঠাকুরকে। স্পিন বিভাগে রবি বিষ্ণোই ও শাহবাজ আহমেদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথম ম্যাচ হারলেও লখনউকে হাল্কাভাবে নেওয়া ঠিক হবে না। বিদেশিরাই এই দলের প্রাণশক্তি। ওপেনিংয়ে মার্করাম ও মিচেল মার্শ বড় পার্টনারশিপ গড়ে দিতে পারলে পরের দিকে ক্যাপ্টেন ঋষভ পন্থ, নিকোলাস পুরান চাপমুক্ত হয়ে স্বাভাবিক ছন্দে খেলতে পারবেন। হায়দরাবাদের মতো লখনউয়ের দুই বাঁ হাতি পুরান ও ঋষভ ম্যাচ উইনার। গত ম্যাচে পুরান ঝোড়ো ব্যাটিং করলেও, হতাশ করেন ঋষভ। তাঁর দ্রুত ছন্দে ফেরা জরুরি। মিডল অর্ডারে ডেভিড মিলার ও আয়ূষ বাদোনি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। তবে হায়দরাবাদের পেস আক্রমণ খুবই শক্তিশালী। মহম্মদ সামি নতুন বলে শুরু করছেন। সঙ্গী হতে পারেন সিমরজিৎ সিং। এছাড়া প্যাট কামিন্স ও হার্শল প্যাটেলও রয়েছেন রান চেক দেওয়ার জন্য। স্পিন বিভাগে অ্যাডাম জাম্পাই সেরা অস্ত্র। সবমিলিয়ে বৃহস্পতিবার ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নামবে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।