Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা! স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ির সাজা

গৃহবধূকে অত্যাচার ও পরে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলায় ১১ বছর পর স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ির সাজা ঘোষণা করল বারাসত আদালত।

বধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা! স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ির সাজা
  • ৩১ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: গৃহবধূকে অত্যাচার ও পরে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলায় ১১ বছর পর স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ির সাজা ঘোষণা করল বারাসত আদালত। জানা গিয়েছে, সাজ প্রাপকরা হলেন স্বামী তুহিন মজুমদার, শ্বশুর মিহির মজুমদার ও শাশুড়ি তন্দ্রা মজুমদার। একটি ধারায় স্বামীর সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হয়েছে। অন্য একটি ধারায় তার দু’বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা হয়। এছাড়া শ্বশুর ও শাশুড়ির পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা হয়েছে। অন্য একটি ধারায় তাঁদের এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা হয়েছে। সব ক’টি সাজাই একসঙ্গে চলবে। 

Advertisement

২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে বনগাঁর বোয়ালদহর বাসিন্দা কাকলি মিত্রর সঙ্গে প্রেম করে বিয়ে হয় বারাসতের পাইওনিয়ার এলাকার তুহিন মজুমদারের। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে বাড়তি পণের দাবিতে কাকলির উপর তুহিন সহ শ্বশুর ও শাশুড়ি নির্যাতন চালাতেন। এছাড়া স্বামীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল বলেও অভিযোগ। অত্যাচার এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, ২০১৪ সালের ৮ জানুয়ারি কাকলি শ্বশুরবাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর বারাসত থানার পুলিস তদন্তে নেমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ধারায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। মামলা চলে বারাসত আদালতে। অবশেষে ১৩ জনের সাক্ষ্যপ্রমাণ, নিহতের লেখা ডাইরি নিরীক্ষণ করে দীর্ঘ শুনানির পর মঙ্গলবার বারাসত আদালতের এডিজে প্রথম কোর্টের বিচারক অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণা করেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ