সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: পণের দাবিতে এক বধূকে খুনের অভিযোগ উঠল স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার, বাগনান থানার উত্তর চক্রমালা গ্রামে। মৃত বধূর নাম মনীষা খাতুন (২৬)। মৃতার বাপের বাড়ির পক্ষ থেকে ছ’জনের নামে বাগনান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বাগনান থানার পুলিস রবিবার রাতে বধূর স্বামী সেখ রফিকুলকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতকে সোমবার উলুবেড়িয়া আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। এরপর এদিনই পুলিস রফিকুলের এক কাকাকেও গ্রেপ্তার করেছে। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর পাঁচ আগে বাগনানের উত্তর চক্রমালা গ্রামের বাসিন্দা পেশায় অটোচালক সেখ রফিকুলের সঙ্গে দেউলটির রানা গ্রামের বাসিন্দা মনীষার বিয়ে হয়। তাদের দুই বছরের একটি মেয়ে আছে। মৃত বধূর বাপের বাড়ির লোকেদের অভিযোগ, বিয়ের সময় মেয়ের শ্বশুরবাড়ির দাবি মতো টাকা সহ নানা জিনিস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিয়ের পর আরও টাকার দাবিতে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা মেয়ের উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করত। মেয়ে বিষয়টি আমাদের জানিয়েছিল। ঘটনার দিন মেয়ের শ্বশুরবাড়ি থেকে আমাদের জানানো হয় যে, মনীষা অসুস্থ। পরে আমরা সেখানে গিয়ে মনীষাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই। বধূর বাপের বাড়ির লোকেদের অভিযোগ, মনীষাকে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকেরাই খুন করেছেন।



