সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: গরিব বাসিন্দাদের মাথায় ছাদ দিতে শহরাঞ্চলে হাউস ফর অল প্রকল্পে খড়্গপুর পুরসভা আরও এক কোটি টাকা পেল। চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ বলেন, শুক্রবারই এই টাকা পুরসভার তহবিলে পাঠানো হয়েছে। যাদের বাড়ি তৈরির কাজ টাকার অভাবে মাঝপথে বন্ধ হয়ে গিয়েছে সেই সব উপভোক্তারা উপকৃত হবে। তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, এখন এই প্রকল্পে আগের কাজের ইউসি(ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট) পাঠালেই টাকা চলে আসছে। ইউসি পাঠিয়ে এক কোটি টাকা চাওয়া হয়েছিল। সেই টাকাই পাঠানো হয়েছে। দ্রুত ইউসি পাঠিয়ে আরও টাকা চাওয়া হবে।
Advertisement
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পুজোর আগে এই প্রকল্পে এক কোটি টাকা এসেছিল। পরে নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি আরও দু’কোটি টাকা আসে। এবার আরও এক কোটি টাকা এল। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, এক সময় এই প্রকল্পের টাকা খরচ করতে না পারায় চার কোটি টাকা ফেরত চলে গিয়েছিল। সেই টাকা অন্য পুরসভাকে দিয়ে দেওয়া হয়। সেই সময় পুরসভা জিও ট্যাগিং করতে পারেনি। এক আধিকারিক বলেন, এরকম অনেক বাসিন্দা আছেন যাঁদের এই প্রকল্পে বাড়ি বরাদ্দ হয়েছে। কিন্তু তাঁদের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। আবার অনেকে এখন আর বাড়ি নিতে চাইছেন না। চেয়ারপার্সন বলেন, কাউন্সিলারদের এব্যাপারে খোঁজ নিয়ে জানাতে বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এই প্রকল্পে একজন উপভোক্তা বাড়ি তৈরির জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কাছে ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা পান। তাঁকে দিতে হয় ২৫ হাজার টাকা। মোট খরচ হয় ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা। রাজ্য দেয় দু’লক্ষ ও কন্দ্রে দেয় ১ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা। নগর উন্নয়ন দপ্তর উপভোক্তাদের নামে এই টাকা পুরসভায় পাঠিয়ে দেয়। পুরসভা তিনটি পর্যায়ে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সেই টাকা পাঠায়। এক আধিকারিক বলেন, নিয়ম মতো এক একটি পর্যায়ের কাজ শেষ হলে পুরসভাকে তা জানাতে হয়। তখন পরবর্তী পর্যায়ের টাকা দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, এই প্রকল্পে একজন উপভোক্তা বাড়ি তৈরির জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কাছে ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা পান। তাঁকে দিতে হয় ২৫ হাজার টাকা। মোট খরচ হয় ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা। রাজ্য দেয় দু’লক্ষ ও কন্দ্রে দেয় ১ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা। নগর উন্নয়ন দপ্তর উপভোক্তাদের নামে এই টাকা পুরসভায় পাঠিয়ে দেয়। পুরসভা তিনটি পর্যায়ে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সেই টাকা পাঠায়। এক আধিকারিক বলেন, নিয়ম মতো এক একটি পর্যায়ের কাজ শেষ হলে পুরসভাকে তা জানাতে হয়। তখন পরবর্তী পর্যায়ের টাকা দেওয়া হয়।



