নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: জঙ্গলের রাস্তায় কখন গজরাজের আগমন হবে তা কারও জানা নেই। মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীনও হতে পারে। কয়েক বছর আগে এমনটা হয়েছিল। পরীক্ষার হলে পৌঁছতে পরীক্ষার্থীদের কালঘাম ছুটে গিয়েছিল। সেই ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় তারজন্য এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর দিন থেকে জঙ্গলমহল এলাকায় বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। গাড়ির বন্দোবস্তও থাকবে। হাতি এলেই পরীক্ষার্থীদের গাড়িতে তুলে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে। পূর্ব বর্ধমান জেলার মাধ্যমিক পরীক্ষার কনভেনার অমিত ঘোষ বলেন, পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের দু’টি ব্লক জঙ্গলমহল হিসেবে পরিচিত। বাঁকুড়া জেলা থেকে এই দুই ব্লকে হাতির দল ঢোকে। পরীক্ষার দিনগুলিতে রাস্তায় হাতি যাতায়াত করলে পরীক্ষার্থীরা সমস্যায় পড়বে। তারজন্যই এবার বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলায় এবার ৪৫হাজার ৮৪৮জন ছাত্রছাত্রী মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। তারমধ্যে ১৯হাজার ৪৪৮জন ছাত্র। ছাত্রী রয়েছে ২৬হাজার ৪০০জন। জেলায় তিনজন ছাত্রের অ্যাডমিট কার্ড আসেনি। তাদের মধ্যে দু’জনের নাম বিভ্রাটের জন্য কার্ড আসেনি। পরে বোর্ড বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করে। ওই তিন ছাত্রের পরীক্ষা দেওয়ার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। জেলায় মেন ভেনু থাকছে ৫৫টি। সাবভেনুর সংখ্যা ৬৯। সব মিলিয়ে ১২৪টি ভেনু থাকছে। প্রতিটি কেন্দ্র সিসি ক্যামেরায় নজরবন্দি থাকবে। কমপক্ষে তিনটি সিসি ক্যামেরা রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্র ভাঙচুর করা হলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। পরীক্ষা শুরুর দিন প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রের ছবি তোলা হবে। শেষের দিন ফের পরীক্ষাকেন্দ্রের ছবি ক্যামেরাবন্দি করা হবে। যদি ভাঙচুরের ছবি দেখা যায় তাহলে সেই স্কুলে সিট পড়া পরীক্ষার্থীদের ফলাফল আটকে দেওয়া হবে।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হয়। পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছতে কোথাও যাতে ছাত্রছাত্রীদের সমস্যা না হয় তার বন্দোবস্ত করতে বলা হয়েছে। জেলার মোট ১৮টি জায়গায় প্রশ্নপত্র রাখার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। আধিকারিকদের দাবি, পরীক্ষার হলে মোবাইল ব্যবহারে কড়াকড়ি থাকছে। স্মার্ট ওয়াচ নিয়েও ঢোকা যাবে না। পরীক্ষার হলে মোবাইল নিয়ে ধরা পড়লে পরীক্ষা বাতিল করা হবে। এছাড়া প্রতিটি প্রশ্নপত্রে এবারও বিশেষ সাংকেতিক চিহ্ন থাকছে। কোথা থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে তা সহজেই টের পাওয়া যাবে।
পূর্ব বর্ধমানের পুলিস সুপার সায়ক দাস বলেন, স্কুলের আসার রাস্তায় যাতে যানজট না হয় তা দেখা হবে। প্রতিটি কেন্দ্রের বাইরে নজরদারি চালানো হবে। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিবষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার বলেন, প্রতিবারই সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা হয়। পরীক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলার জঙ্গলমহলের দিকে বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হয়। পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছতে কোথাও যাতে ছাত্রছাত্রীদের সমস্যা না হয় তার বন্দোবস্ত করতে বলা হয়েছে। জেলার মোট ১৮টি জায়গায় প্রশ্নপত্র রাখার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। আধিকারিকদের দাবি, পরীক্ষার হলে মোবাইল ব্যবহারে কড়াকড়ি থাকছে। স্মার্ট ওয়াচ নিয়েও ঢোকা যাবে না। পরীক্ষার হলে মোবাইল নিয়ে ধরা পড়লে পরীক্ষা বাতিল করা হবে। এছাড়া প্রতিটি প্রশ্নপত্রে এবারও বিশেষ সাংকেতিক চিহ্ন থাকছে। কোথা থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে তা সহজেই টের পাওয়া যাবে।
পূর্ব বর্ধমানের পুলিস সুপার সায়ক দাস বলেন, স্কুলের আসার রাস্তায় যাতে যানজট না হয় তা দেখা হবে। প্রতিটি কেন্দ্রের বাইরে নজরদারি চালানো হবে। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিবষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার বলেন, প্রতিবারই সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা হয়। পরীক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলার জঙ্গলমহলের দিকে বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে।



