নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: হাতির হানা থেকে ফসল ও ঘরবাড়ি বাঁচাতে জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসনের কাছে বিশেষ মডেল পেশ করলেন কৃষকরা। মঙ্গলবার এনিয়ে জেলাশাসকের কার্যালয়ে বৈঠক হয়। জেলা প্রশাসনের কর্তাদের পাশাপাশি বৈঠকে ছিলেন কৃষি ও উদ্যানপালন দপ্তর এবং বনদপ্তরের আধিকারিকরা।
Advertisement
নাগরাকাটার কলাবাড়ি এলাকার একটি ফার্মার্স প্রোডিউসার কোম্পানির (এফপিসি) তরফে জেলা প্রশাসনের কাছে মডেল পেশ করে বলা হয়, হাতি মূলত খাবারের খোঁজে জঙ্গল থেকে লোকালয়ে ঢোকে। ফলে জঙ্গল লাগোয়া জমি বা বনবস্তি এলাকায় যদি প্রথমধাপে কলাগাছ, দ্বিতীয়ধাপে বাঁশগাছ লাগানো হয়, তাহলে হাতি এখান থেকে প্রয়োজনীয় খাবার পেয়ে যাবে। তৃতীয়ধাপে লাগাতে হবে কুল ও লেবুগাছ। এই গাছ দু’টি হাতি একেবারেই পছন্দ করে না। ফলে কুল ও লেবুগাছ দেখে হাতি আর লোকালয়ে ঢোকার চেষ্টা করবে না। জঙ্গলে ফিরে যাবে। চতুর্থ ধাপে থাকবে কৃষকের ফসল কিংবা ঘরবাড়ি। জেলাশাসক শমা পারভীন বলেন, হাতির হামলা থেকে ফসল ও ঘরবাড়ি বাঁচাতে প্রস্তাব পড়েছে। প্রশাসন তা খতিয়ে দেখছে।
গাছ দিয়ে ত্রিস্তরীয় সুরক্ষা বলয় গড়ার যে মডেল, তার সাহায্যে লোকালয়ে হাতির হানা ঠেকানো সম্ভব বলে এদিন বৈঠক শেষে দাবি করেন নাগরাকাটার কৃষিনিধি ফার্মার্স প্রোডিউসার কোম্পানির ডিরেক্টর গোলক সরকার। তিনি বলেন, জেলাশাসক আমাদের মডেল কার্যকর করতে কত টাকা খরচ, তা জমা দিতে বলেছেন। আমরা শীঘ্রই সবটা জানাব প্রশাসনকে।
গাছ দিয়ে ত্রিস্তরীয় সুরক্ষা বলয় গড়ার যে মডেল, তার সাহায্যে লোকালয়ে হাতির হানা ঠেকানো সম্ভব বলে এদিন বৈঠক শেষে দাবি করেন নাগরাকাটার কৃষিনিধি ফার্মার্স প্রোডিউসার কোম্পানির ডিরেক্টর গোলক সরকার। তিনি বলেন, জেলাশাসক আমাদের মডেল কার্যকর করতে কত টাকা খরচ, তা জমা দিতে বলেছেন। আমরা শীঘ্রই সবটা জানাব প্রশাসনকে।



