সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: গত বৃহস্পতিবার চিলাপাতার জঙ্গলে জ্বালনি কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে হাতির হানায় মৃত্যু হয়েছিল কালচিনির দক্ষিণ মেন্দাবাড়ির তিন মহিলার। ৭২ঘণ্টার মধ্যে ফের একই পুনরাবৃত্তি। এবার একই কারণে বক্সার গরম বিটের জঙ্গলে এক প্রৌঢ়ের মৃত্যু হয়েছে। বনদপ্তর জানিয়েছে, মৃতের নাম গুঞ্জমান রাভা(৫৩)। বাড়ি কালচিনি ব্লকের দক্ষিণ পোড়োবস্তি গ্রামে।
Advertisement
এই ঘটনার পরেই নড়চড়ে বসেছে বনদপ্তর। বাসিন্দাদের জঙ্গল ঢুকতে বারণ করতে জলদাপাড়া ও বক্সার জঙ্গল লাগোয়া বনবস্তি, চা বাগান ও লোকালয়ে শুক্রবার থেকে মাইকিং শুরু করেছে বনদপ্তর। জয়েন্ট ফরেস্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটি, পঞ্চায়েত ও পুলিসের সঙ্গে বৈঠকও করেছে বনদপ্তর।
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের সহকারী বন্যপ্রাণী সংরক্ষক নভজিৎ দে বলেন, ৪৮নম্বর এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের পাশে রেস্তোরাঁ, হোটেল ও চা মিষ্টির দোকানগুলিতে এক সপ্তাহের নোটিস দেওয়া হচ্ছে। যাতে কেউ জঙ্গলের সংগ্রহ করা জ্বালানী কাঠ না কেনে। তারপরও কাজ না হলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জঙ্গলে না ঢুকতে এলাকায় মাইকিংও করছি।
বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের পশ্চিম ডিভিশনের উপক্ষেত্র অধিকর্তা হরিকৃষ্ণন পি জে বলেন, জঙ্গলে না ঢুকতে আমরাও এলাকায় মাইকিং করছি। এনিয়ে এলাকার জেএফএমসি কর্তৃপক্ষ, পঞ্চায়েত ও পুলিস প্রশাসনের সঙ্গেও বৈঠক করা হচ্ছে।
বনদপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার বিকালে দক্ষিণ পোড়োর প্রৌঢ় গুঞ্জমান রাভা সহ একটি দল গরম বিটের জঙ্গলে মাছ ধরতে ও কাঠ কুড়োতে যায়। কিন্তু রাতে প্রৌঢ় গুঞ্জন রাভা বাড়ি ফেরেননি। শনিবার সকালে জঙ্গলে রুটিন টহলদারির সময় বনকর্মীরা তাঁর মাথা থেতলানো ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করেন। ৩১-সি জাতীয় সড়ক থেকে প্রায় এক কিমি দূরে জঙ্গলের ভিতর থেকে প্রৌঢ়ের দেহটি উদ্ধার হয়। দেহ উদ্ধারের সময় ভিড় জমে যায়।
বনদপ্তর জানিয়েছে, ঘটনাটি সংরক্ষিত জঙ্গলের ভিতরে হওয়ায় মৃতের পরিবার সরকারি ক্ষতিপূরণ পাবে না। কালচিনির দক্ষিণ মেন্দাবাড়ি, দমনপুর, গরমবস্তি ও পোড়োবস্তি এলাকাগুলি হাতিদের করিডর। প্রায়ই হাতির দল জাতীয় সড়ক পারাপার করে। তারপরও মানুষের জঙ্গলে ঢোকা বন্ধ না হওয়ায় বনদপ্তর ক্ষুব্ধ।
বক্সার পশ্চিম দমনপুর রেঞ্জের রেঞ্জার অর্ণব চৌধুরী বলেন, হাতি নাকি অন্য কোনও বন্যপ্রাণীর হামলায় প্রৌঢ়ের মৃত্যু হয়েছে, সেটার তদন্ত হচ্ছে।
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের সহকারী বন্যপ্রাণী সংরক্ষক নভজিৎ দে বলেন, ৪৮নম্বর এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের পাশে রেস্তোরাঁ, হোটেল ও চা মিষ্টির দোকানগুলিতে এক সপ্তাহের নোটিস দেওয়া হচ্ছে। যাতে কেউ জঙ্গলের সংগ্রহ করা জ্বালানী কাঠ না কেনে। তারপরও কাজ না হলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জঙ্গলে না ঢুকতে এলাকায় মাইকিংও করছি।
বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের পশ্চিম ডিভিশনের উপক্ষেত্র অধিকর্তা হরিকৃষ্ণন পি জে বলেন, জঙ্গলে না ঢুকতে আমরাও এলাকায় মাইকিং করছি। এনিয়ে এলাকার জেএফএমসি কর্তৃপক্ষ, পঞ্চায়েত ও পুলিস প্রশাসনের সঙ্গেও বৈঠক করা হচ্ছে।
বনদপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার বিকালে দক্ষিণ পোড়োর প্রৌঢ় গুঞ্জমান রাভা সহ একটি দল গরম বিটের জঙ্গলে মাছ ধরতে ও কাঠ কুড়োতে যায়। কিন্তু রাতে প্রৌঢ় গুঞ্জন রাভা বাড়ি ফেরেননি। শনিবার সকালে জঙ্গলে রুটিন টহলদারির সময় বনকর্মীরা তাঁর মাথা থেতলানো ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করেন। ৩১-সি জাতীয় সড়ক থেকে প্রায় এক কিমি দূরে জঙ্গলের ভিতর থেকে প্রৌঢ়ের দেহটি উদ্ধার হয়। দেহ উদ্ধারের সময় ভিড় জমে যায়।
বনদপ্তর জানিয়েছে, ঘটনাটি সংরক্ষিত জঙ্গলের ভিতরে হওয়ায় মৃতের পরিবার সরকারি ক্ষতিপূরণ পাবে না। কালচিনির দক্ষিণ মেন্দাবাড়ি, দমনপুর, গরমবস্তি ও পোড়োবস্তি এলাকাগুলি হাতিদের করিডর। প্রায়ই হাতির দল জাতীয় সড়ক পারাপার করে। তারপরও মানুষের জঙ্গলে ঢোকা বন্ধ না হওয়ায় বনদপ্তর ক্ষুব্ধ।
বক্সার পশ্চিম দমনপুর রেঞ্জের রেঞ্জার অর্ণব চৌধুরী বলেন, হাতি নাকি অন্য কোনও বন্যপ্রাণীর হামলায় প্রৌঢ়ের মৃত্যু হয়েছে, সেটার তদন্ত হচ্ছে।



