নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: বর্ষশেষের দিনে হাতির হানায় এক বৃদ্ধের মৃত্যু হল। মঙ্গলবার ভোরে কেশপুর ব্লকের আনন্দপুর থানার সোলিডিহা গ্রাম লাগোয়া জঙ্গলে এই ঘটনা ঘটে। মৃত নিমাই ভুঁইয়া(৬৩) ওই গ্রামেরই বাসিন্দা। ঘটনায় মায়া পড়্যা নামে এক মহিলা গুরুতর জখম হয়েছেন। তিনি মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
Advertisement
মেদিনীপুরের ডিএফও দীপক এম বলেন, খুবই দুঃখজনক ঘটনা। এদিনই মৃতের পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণ তুলে দেওয়া হচ্ছে। পুরো পরিস্থিতির উপর আমরা নজর রাখছি।
এখন জঙ্গলমহলে হাতির উপদ্রব একটি বড় সমস্যা। জঙ্গল লাগোয়া গ্রাম, চাষের জমিতে হাতির হানায় ক্ষতির পরিমাণ দিনদিন বাড়ছে। জেলার খড়্গপুর, মেদিনীপুর, রূপনারায়ণ বনবিভাগ এলাকায় হাতির হানায় চাষিদের ঘুম উড়েছে। শুধু মেদিনীপুর ডিভিশনে ১০টি হাতি বিভিন্ন জঙ্গলে ছড়িয়ে রয়েছে। রাতে খাবারের সন্ধানে হাতি ফসলও নষ্ট করছে। তবে এবার বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকার বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ।
অন্যদিনের মতো এদিনও ভোরে ঘুম থেকে উঠেই চাষের জমির উদ্দেশে রওনা দেন নিমাইবাবু। ভোরে কুয়াশা বেশি থাকায় সামনে ভালো করে দেখা যাচ্ছিল না। একটি হাতি আচমকা তাঁর সামনে চলে আসে। বৃদ্ধ পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু হাতিটি তাঁকে শুঁড়ে তুলে আছাড় মারে। হাতিটি সরে গেলে গ্রামের বাসিন্দারা ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করেন। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই নিমাইবাবুর মৃত্যু হয়। এছাড়া, মায়া পড়্যাকেও গ্রামবাসীরা কিছুটা দূর থেকেই জখম অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁকেও হাতিটি আক্রমণ করেছিল।
কিছুদিন আগেই গড়বেতার জঙ্গলে একটি হাতির পাল ঢুকে পড়ে। পরে সেই দলটি নানাভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। একটি হাতি দলছুট হয়ে আড়াবাড়ির জঙ্গলে চলে আসে। সেই দলছুট হাতির আক্রমণেই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অসীম মণ্ডল বলেন, আমরা খুবই আতঙ্কে রয়েছি। হাতিটি ফের আক্রমণ চালাতে পারে। ঝাড়খণ্ড থেকে হাতি ঝাড়গ্রাম হয়ে এই জেলায় ঢুকছে। ক্ষতিপূরণ পেলে কী হবে? মানুষটা তো ফিরবে না। তাই হাতির সমস্যার সমাধান করা দরকার।
এখন জঙ্গলমহলে হাতির উপদ্রব একটি বড় সমস্যা। জঙ্গল লাগোয়া গ্রাম, চাষের জমিতে হাতির হানায় ক্ষতির পরিমাণ দিনদিন বাড়ছে। জেলার খড়্গপুর, মেদিনীপুর, রূপনারায়ণ বনবিভাগ এলাকায় হাতির হানায় চাষিদের ঘুম উড়েছে। শুধু মেদিনীপুর ডিভিশনে ১০টি হাতি বিভিন্ন জঙ্গলে ছড়িয়ে রয়েছে। রাতে খাবারের সন্ধানে হাতি ফসলও নষ্ট করছে। তবে এবার বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকার বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ।
অন্যদিনের মতো এদিনও ভোরে ঘুম থেকে উঠেই চাষের জমির উদ্দেশে রওনা দেন নিমাইবাবু। ভোরে কুয়াশা বেশি থাকায় সামনে ভালো করে দেখা যাচ্ছিল না। একটি হাতি আচমকা তাঁর সামনে চলে আসে। বৃদ্ধ পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু হাতিটি তাঁকে শুঁড়ে তুলে আছাড় মারে। হাতিটি সরে গেলে গ্রামের বাসিন্দারা ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করেন। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই নিমাইবাবুর মৃত্যু হয়। এছাড়া, মায়া পড়্যাকেও গ্রামবাসীরা কিছুটা দূর থেকেই জখম অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁকেও হাতিটি আক্রমণ করেছিল।
কিছুদিন আগেই গড়বেতার জঙ্গলে একটি হাতির পাল ঢুকে পড়ে। পরে সেই দলটি নানাভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। একটি হাতি দলছুট হয়ে আড়াবাড়ির জঙ্গলে চলে আসে। সেই দলছুট হাতির আক্রমণেই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অসীম মণ্ডল বলেন, আমরা খুবই আতঙ্কে রয়েছি। হাতিটি ফের আক্রমণ চালাতে পারে। ঝাড়খণ্ড থেকে হাতি ঝাড়গ্রাম হয়ে এই জেলায় ঢুকছে। ক্ষতিপূরণ পেলে কী হবে? মানুষটা তো ফিরবে না। তাই হাতির সমস্যার সমাধান করা দরকার।



