সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: বনদপ্তরের কার্শিয়াং ডিভিশনের অধীন দুই এলাকায় হাতির হানায় গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে দু’জনের। যা নিয়ে আতঙ্ক জাঁকিয়ে বসেছে শিলিগুড়ি মহকুমার গ্রামীণ এলাকায়। যদিও সতর্কতা অবলম্বনের প্রচার চালাচ্ছেন বনকর্মীরা।
Advertisement
সোমবার সকালে নকশালবাড়ি ব্লকের হাতিঘিষার দমদমায় বিজয় নাগ (৪৪) প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে দলছুট একটি হাতির হামলার মুখে পড়েন। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। বনদপ্তর জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি পাহাড়গুমিয়া চা বাগানের বাসিন্দা। বাগডোগরা রেঞ্জের বনকর্মীরা জঙ্গল থেকেই মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
বন বিভাগের কার্শিয়াংয়ের ডিএফও দেবেশ পান্ডে বলেন, গ্রামীণ এলাকায় এখন বাড়ি বাড়ি শৌচালয় রয়েছে। তবে অনেকেই তা ব্যবহার করেন না। জঙ্গল সংলগ্ন মাঠ ও রাস্তায় গিয়ে শৌচকাজ করেন তাঁরা। বিশেষ করে শীতের মরশুমে সকাল-সন্ধ্যায় কুয়াশা থাকে, তাই এ সময় সতর্ক থাকতে হবে।
এদিকে, গত ২ সেপ্টেম্বর নকশালবাড়ির দক্ষিণ রথখোলার বাসিন্দা নরবাহাদুর ছেত্রী (৭৩) দ্বারাবক্স এলাকায় একদল হাতির মুখোমুখি হয়েছিলেন। একটি হাতি তাঁর উপর হামলা চালালে গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এতদিন। রবিবার তাঁর মৃত্যু হয়। ডিএফও বলেন, এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট রেঞ্জের আধিকারিকরা রিপোর্ট পাঠালে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব। যদিও দু’টি ক্ষেত্রেই সরকারি সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন ডিএফও।
অপরদিকে, কার্শিয়াং ডিভিশনের টুকরিয়াঝার বনাঞ্চল থেকে দলছুট দু’টি হাতি প্রায়ই হানা দিচ্ছে বাতাসিতে। রবিবার রাতে স্থানীয় একটি রেস্তরাঁর সিসি ক্যামেরায় সেই ছবি ধরা পড়ে। প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ১৩ তারিখ রাতে কাজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাগডোগরার অদূরে কেষ্টপুরে এশিয়ান হাইওয়ে-২’তে হাতির হামলায় মৃত্যু হয় হাতিঘিষার দুই ভাইয়ের।
বন বিভাগের কার্শিয়াংয়ের ডিএফও দেবেশ পান্ডে বলেন, গ্রামীণ এলাকায় এখন বাড়ি বাড়ি শৌচালয় রয়েছে। তবে অনেকেই তা ব্যবহার করেন না। জঙ্গল সংলগ্ন মাঠ ও রাস্তায় গিয়ে শৌচকাজ করেন তাঁরা। বিশেষ করে শীতের মরশুমে সকাল-সন্ধ্যায় কুয়াশা থাকে, তাই এ সময় সতর্ক থাকতে হবে।
এদিকে, গত ২ সেপ্টেম্বর নকশালবাড়ির দক্ষিণ রথখোলার বাসিন্দা নরবাহাদুর ছেত্রী (৭৩) দ্বারাবক্স এলাকায় একদল হাতির মুখোমুখি হয়েছিলেন। একটি হাতি তাঁর উপর হামলা চালালে গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এতদিন। রবিবার তাঁর মৃত্যু হয়। ডিএফও বলেন, এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট রেঞ্জের আধিকারিকরা রিপোর্ট পাঠালে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব। যদিও দু’টি ক্ষেত্রেই সরকারি সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন ডিএফও।
অপরদিকে, কার্শিয়াং ডিভিশনের টুকরিয়াঝার বনাঞ্চল থেকে দলছুট দু’টি হাতি প্রায়ই হানা দিচ্ছে বাতাসিতে। রবিবার রাতে স্থানীয় একটি রেস্তরাঁর সিসি ক্যামেরায় সেই ছবি ধরা পড়ে। প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ১৩ তারিখ রাতে কাজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাগডোগরার অদূরে কেষ্টপুরে এশিয়ান হাইওয়ে-২’তে হাতির হামলায় মৃত্যু হয় হাতিঘিষার দুই ভাইয়ের।



