Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হাতির গতিবিধির নিখুঁত তথ্য জানতে ঝাড়গ্রামে বসল এআই ক্যামেরা

হাতির গতিবিধির নিখুঁত তথ্য জানতে ঝাড়গ্রামে বসল এআই ক্যামেরা
  • ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রামে হাতি চলাচল করিডরে আধুনিক প্রযুক্তির এ আই ফিল্টার ক্যামেরা বসানো হয়েছে। হাতির গতিবিধির খবর ছবি সহ বনকর্তাদের কাছে দ্রুত পৌঁছে যাচ্ছে। ফসলি জমি ও লোকালয়ে হাতির পাল ঢুকলেই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। 
Advertisement
ঝাড়গ্রাম জেলায় এখন ৪টি বনবিভাগ রয়েছে। ঝাড়গ্রাম, খড়্গপুর, মেদিনীপুর ও রূপনারায়ণ বনবিভাগ। ঝাড়গ্রাম বনবিভাগের মধ্যে বেলপাহাড়ি, ঝাড়গ্রাম এবং জামবনির বিস্তীর্ণ এলাকা রয়েছে। খড়্গপুর বনবিভাগের অধীনে রয়েছে ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইল এবং নয়াগ্রাম। মেদিনীপুর বনবিভাগের মধ্যে লালগড় ও রূপনারায়ণ বনবিভাগে রয়েছে রামগড় বনাঞ্চল। ঝাড়গ্রাম বন দপ্তরের তথ্য বলছে, আশির দশকে দলমা পাহাড় এলাকায় মাইনিংয়ের কাজ শুরু হয়। সেইসময় থেকেই  দলমা পাহাড়ের হাতির দল কাঁকড়াঝোড় হয়ে ঝাড়গ্রামে ঢুকে পড়তে থাকে। কাঁকড়াঝোড় ও মালাবতীর জঙ্গল পেরিয়ে লালগড় ও মানিকপাড়া দিয়ে হাতির দল সাঁকরাইল ও নয়াগ্রামের দিকে যেতে শুরু করে। হাতির পাল কয়েক মাস থাকার পর আবার দলমায় ফিরে যেত। দুই দশকের বেশি সময় ধরে হাতির পাল জেলার বিভিন্ন করিডর দিয়ে এইভাবে যাতায়াত করছে। ফলে হাতি ও মানুষের সংঘাত বেড়েছে। জেলা প্রশাসনের তথ্য বলছে, হাতির হানায় গত কয়েক বছরে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গত দুই বছরে জেলার বিভিন্ন বনবিভাগে হাতির হানায় ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট সহ একাধিক কারণে বেশ কয়েকটি হাতির মৃত্যু হয়েছে। গত আগস্ট মাসে জ্বলন্ত শলাকায় একটি মাদী হাতির মৃত্যু হয়। সেই ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। ঘটনার পরেই প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। ঝাড়গ্রাম শহরের চতুর্দিকে ইতিমধ্যে বিদ্যুতের ফেন্সিং বসানো হয়েছে। জঙ্গল এলাকায় নজরদারি বাড়াতে ট্র্যাকার্স টিম গঠন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে হাতির গতিবিধি জানতে বিভিন্ন করিডরে আধুনিক প্রযুক্তির ক্যামেরা বসানো হয়েছে। ঝাড়গ্রাম রেঞ্জের এক অফিসার বলেন, জঙ্গলের গুরুত্বপূর্ণ করিডরে এআই ফিল্টার ক্যামেরাগুলি বসানো হয়েছে। হাতি ঢুকলেই ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি পাঠিয়ে দিচ্ছে। ঝাড়গ্ৰাম বনবিভাগের ডিএফও উমর ইমাম বলেন, দুই মাস আগে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে এআই ফিল্টার ক্যামেরাগুলো গুরুত্বপূর্ণ করিডরে বসানো হয়েছিল। 
সম্পর্কিত সংবাদ