রবীন রায়, আলিপুরদুয়ার: ২০২৪ সালে দেশে হাতি ও মানুষের সংঘাতে মানুষের মৃত্যুর পরিসংখ্যানের তথ্য প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রক। সেই তথ্য অনুসারে গত বছর দেশে হাতির সঙ্গে সংঘাতে মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বাংলা। প্রথম স্থানে আছে ওড়িশা। আর তৃতীয় স্থানে আছে ঝাড়খণ্ড।
Advertisement
এদিকে, বাংলায় গত বছর হাতির হানায় যত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে তার ৯০ শতাংশই ঘটেছে উত্তরবঙ্গে। উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার দার্জিলিং সংলগ্ন শিলিগুড়ি অঞ্চলে। কেন্দ্রের পরিসংখ্যান মোতাবেক গত বছর বাংলায় হাতির হামলায় মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ৯৯টি। ওড়িশায় ১৫৪টি। অন্যদিকে, ঝাড়খণ্ডে হাতি-মানুষের সংঘাতে ৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তবে কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যানে জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে হাতি-মানুষের সংঘাতে ওড়িশা ও বাংলায় মৃত্যুর ঘটনা প্রায় সমান সমান। ওই বছর ওড়িশায় ১১৭ ও বাংলায় ১১৬টি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ২০২১ ও ২০২২ সালে অবশ্য বাংলায় হাতির হামলায় মৃত্যুর ঘটনা অনেকটাই নীচে নেমে এসেছিল। বাংলায় ২০২১ সালে ৪৭টি ও ২০২২ সালে হাতি-মানুষের সংঘাতে ৭৭টি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবে ২০২৩ সালে বাংলায় ফের হাতির হামলায় মৃত্যুর ঘটনা বেড়ে যায়। ওই বছর ৯৭টি মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ওই বছর ওড়িশায় হাতির হামলায় ১৪৮টি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
রাজ্যের বন্যপ্রাণ শাখার উত্তরবঙ্গের মুখ্য বনপাল ভাস্কর জেভি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের এই পরিসংখ্যানে আমরা উদ্বিগ্ন। হাতি-মানুষের সংঘাত কমাতে নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচার চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আফশোস একটাই মানুষ সেটা বুঝতে চাইছে না।
তবে এই পরিসংখ্যান পেশ করে বন ও পরিবেশ মন্ত্রক হাতি-মানুষের সংঘাত কমাতে বেশকিছু পরামর্শও দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের পরামর্শ, এই সংঘাত কমাতে হাতির করিডরগুলিতে হট স্পট চিহ্নিত করতে হবে। সংঘাত ঠেকাতে নজরদারির জন্য র্যাপিড রেসপন্স টিম তৈরির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এখন হাতির হামলায় কেউ মারা গেলে মৃতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাঁচ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়। এই ক্ষতির পরিমাণ ১০ লক্ষ টাকা করার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র। পাশাপাশি হাতি ও অন্য বন্যপ্রাণী খায় না এমন ফসল রোপণ করতে করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে জঙ্গল লাগোয়া এলাকাগুলিতে। এদিকে, স্টেট ওয়াইল্ড লাইফ বোর্ডের কোনও কোনও সদস্য ও প্রাক্তন বনাধিকারিকদের মধ্যে কেউ কেউ হাতির জন্ম নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব দিলেও আইনি বাধায় তা আজও বাস্তবায়িত করা যায়নি।
তবে কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যানে জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে হাতি-মানুষের সংঘাতে ওড়িশা ও বাংলায় মৃত্যুর ঘটনা প্রায় সমান সমান। ওই বছর ওড়িশায় ১১৭ ও বাংলায় ১১৬টি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ২০২১ ও ২০২২ সালে অবশ্য বাংলায় হাতির হামলায় মৃত্যুর ঘটনা অনেকটাই নীচে নেমে এসেছিল। বাংলায় ২০২১ সালে ৪৭টি ও ২০২২ সালে হাতি-মানুষের সংঘাতে ৭৭টি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবে ২০২৩ সালে বাংলায় ফের হাতির হামলায় মৃত্যুর ঘটনা বেড়ে যায়। ওই বছর ৯৭টি মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ওই বছর ওড়িশায় হাতির হামলায় ১৪৮টি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
রাজ্যের বন্যপ্রাণ শাখার উত্তরবঙ্গের মুখ্য বনপাল ভাস্কর জেভি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের এই পরিসংখ্যানে আমরা উদ্বিগ্ন। হাতি-মানুষের সংঘাত কমাতে নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচার চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আফশোস একটাই মানুষ সেটা বুঝতে চাইছে না।
তবে এই পরিসংখ্যান পেশ করে বন ও পরিবেশ মন্ত্রক হাতি-মানুষের সংঘাত কমাতে বেশকিছু পরামর্শও দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের পরামর্শ, এই সংঘাত কমাতে হাতির করিডরগুলিতে হট স্পট চিহ্নিত করতে হবে। সংঘাত ঠেকাতে নজরদারির জন্য র্যাপিড রেসপন্স টিম তৈরির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এখন হাতির হামলায় কেউ মারা গেলে মৃতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাঁচ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়। এই ক্ষতির পরিমাণ ১০ লক্ষ টাকা করার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র। পাশাপাশি হাতি ও অন্য বন্যপ্রাণী খায় না এমন ফসল রোপণ করতে করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে জঙ্গল লাগোয়া এলাকাগুলিতে। এদিকে, স্টেট ওয়াইল্ড লাইফ বোর্ডের কোনও কোনও সদস্য ও প্রাক্তন বনাধিকারিকদের মধ্যে কেউ কেউ হাতির জন্ম নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব দিলেও আইনি বাধায় তা আজও বাস্তবায়িত করা যায়নি।



